Latest News

‘নিষিদ্ধ’ তকমা, সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে পিএফআই-কে তুলেই দিলেন নেতারা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে (PFI) পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথমে এবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। তার জেরে ওই সংস্থাকে তুলে দেওয়ারই সিদ্ধান্ত নিলেন সংগঠনের নেতৃত্ব।

পিএফআইয়ের (PFI) সদর দফতর কেরলে। সেখানকার শীর্ষ নেতা আব্দুল সাত্তার আজ লিখিত বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাস করি। সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে আমাদের সংগঠনকে। আমরা এই সিদ্ধান্ত মেনে নিচ্ছি। আমি দেশের সব প্রান্তের পিএফআই কর্মী, সমর্থকদের বলছি সংগঠনের সব কাজকর্ম বন্ধ রাখতে।

ওয়াকিবহাল মহল বলছে, এমন।নজির বিরল। অতীতে অনেক সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এখন তালিকায় আছে ৪৪টি সংগঠনের নাম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, কোনও সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পর তারা অন্য নামে আত্মপ্রকাশ করে।

বস্তুত, এই যুক্তিতিতেই আজ কেরল সিপিএম পিএফআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণার বিরোধিতা করে বলে, এতে জঙ্গিবাদ, নাশকতাবাদের বিলোপ ঘটবে না। বরং তাদের কাজকর্মের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চালিয়ে যাওয়া উচিত ছিল।

যদিও কেরল কংগ্রেসের নেতা রমেশ চেন্নিথালা কেন্দ্রীয় সরকারের দাবিতে পূর্ণ সমর্থন করেছেন। তাঁর কথাও আরও আগেই এই সিদ্ধান্ত নিলে ভাল হত।

পিএফআইয়ের সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, রিহ্যাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, কেপস ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া, অল ইন্ডিয়া ইমাম কাউন্সিল, ন্যাশনাল কনফেডারেশন অফ হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন, ন্যাশনাল বুমস ফ্রন্ট, জুনিয়র ফ্রন্ট, এম্বাবর ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন এবং রিহ্যাব ফাউন্ডেশনকেও।

ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি এবং ইডির অভিযোগ, এই আট সংগঠন পিএফআইয়ের সহযোগী। এরা একে ওপরের ভাবধারা প্রচার করে। কিন্তু মূলত আর্থিক বিষয়টি আড়াল করার লক্ষ্যেই এরা ভিন্ন নামে কাজ করে।

ইডি এবং এনআইএ গত কয়েকদিনে দেশের ২৭টি রাজ্যে পিএফাআই এবং তাদের সহযোগী সংগঠনগুলির দফতরে অভিযান চালায়। এখনও পর্যন্ত তিনশোর কাছাকাছি কর্মকর্তা গ্রেফতার হয়েছে। তবে প্রতিবাদ হয়েছে শুধু কেরলে।

বয়স ৭৪, অসুখ-বিসুখে চলৎচ্ছক্তিহীন, ২৫ বছর পরও লালুই ফের আরজেডির সভাপতি!

You might also like