Latest News

মুম্বইগামী বিমানে ওঠার আগে বাধ্যতামূলক আরটি পিসিআর টেস্ট, ওমিক্রন আতঙ্কে নতুন কোভিড বিধি

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ভারতে কোভিডের দু’টি ওয়েভে সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি হয়েছে মুম্বই (Mumbai) তথা মহারাষ্ট্রে। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ছড়িয়েছে কোভিডের নতুন ভ্যারিয়ান্ট ওমিক্রন। এই পরিস্থিতিতে মুম্বইয়ের বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রতিটি অন্তর্দেশীয় বিমান সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছে, মুম্বইগামী বিমানে ওঠার আগে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যেক যাত্রীর আরটি পিসিআর টেস্ট করাতে হবে। কেউ যদি জরুরি পারিবারিক প্রয়োজনে মুম্বইয়ে আসেন, তাঁর জন্য বিমান বন্দরে টেস্ট করার ব্যবস্থা থাকবে।

এর আগে ভারত সরকার নির্দেশ দিয়েছে, যে দেশগুলিতে ওমিক্রনের সংক্রমণ দেখা গিয়েছে, সেসব দেশ থেকে কেউ এলে তাঁকে নিজের খরচে কোভিড টেস্ট করাতে হবে। মহারাষ্ট্রে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের ১৪ দিন কোয়ারান্টাইনে রাখা হচ্ছে।

গত এক সপ্তাহে অন্তত ১২ টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন। সেই দেশগুলি থেকে পর্যটকদের আসা বন্ধ করে দিয়েছে ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার কয়েকটি দেশ। সোমবার জাপান ও অস্ট্রেলিয়াও ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অবশ্য বলেছেন, আমেরিকায় নতুন করে পর্যটকদের ওপরে বিধিনিষেধ জারি করা হবে না। লকডাউনেরও সম্ভাবনা নেই।

আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের ডিরেক্টর ফ্রান্সিস কলিনস বলেন, “ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তবে এখন বুস্টার নেওয়াই ভাল।” ফক্স নিউজে এক সাক্ষাৎকারে কলিনস বলেন, মনে হচ্ছে, নতুন স্ট্রেনকে আটকাতে পারবে ভ্যাকসিন। তার ওপরে যদি কেউ বুস্টার নেয়, তার সুরক্ষা আরও মজবুত হবে।

গত মঙ্গলবারই জানা যায়, ২০২১-২২ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের ত্রৈমাসিকে ভারতের অর্থনীতি বিকশিত হয়েছে ৮.৪ শতাংশ হারে। গত এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে অর্থনীতি বিকশিত হয়েছে ২০.১ শতাংশ হারে। ওই সময় দেশে কোভিডের দ্বিতীয় ওয়েভ এসেছিল। তা সত্ত্বেও অর্থনীতি বিকশিত হওয়ায় অবাক হয়েছিলেন অনেকে।

সরকারের প্রধান আর্থিক উপদেষ্টা কৃষ্ণমূর্তি বেঙ্কট সুব্রহ্মণ্যম বলেন, “কোভিডের দ্বিতীয় ওয়েভের সময় অর্থনীতির বিশেষ ক্ষতি হয়নি। ওই সময় কেবল রাজ্য স্তরেই নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।” কোভিডের দ্বিতীয় ওয়েভের সময়ই অর্থনীতির বিকাশ হয়েছে সবচেয়ে দ্রুতগতিতে। মূলত খনি, ম্যানুফ্যাকচারিং এবং নির্মাণ শিল্পের ওপরে নির্ভর করে তখন মোট জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছিল।

সুব্রহ্মণ্যম বলেন, আশা করা হচ্ছে, চলতি আর্থিক বছরে অর্থনীতির বিকাশ হবে দুই অঙ্কে। মূলত ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্র ও বাজারে চাহিদা বৃদ্ধির ওপরে ভরসা করে কোভিডের ধাক্কা কাটিয়ে উঠবে অর্থনীতি। প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার দাবি, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা গিয়েছে। সরকার চেষ্টা করছে যাতে চাহিদা বাড়ানো যায়।

You might also like