Latest News

মেয়েরা আরও পড়তে সময় চায়, তাই বিয়ের বয়স বাড়াতে চাই, উত্তরপ্রদেশে দাবি মোদীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশ (up) সফরে (visit)  মেয়েদের (girls) বিয়ের বৈধ (marriage) (age) বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করার সিদ্ধান্তের সাফাই দিয়ে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস, সিপিএম ও বাকি বিরোধীদের কটাক্ষ করলেন নরেন্দ্র  মোদী (modi)।  বিরোধী শিবিরের (opposition) একাধিক দল, একাধিক সামাজিক সংগঠন  নানা যুক্তি সাজিয়ে মেয়েদের বিয়ের বয়স বাড়ানোর ভাবনার সমালোচনা করছে। সূত্রের খবর, সরকার বিলটি সংসদীয় কমিটিতে খতিয়ে দেখতে পাঠানোর বিরোধী নয়। সিলেক্ট কমিটি বিলের নানা ধারা খতিয়ে দেখতে পারে বলে জানিয়েছেন জনৈক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও। তবে বিভিন্ন সূত্রের দাবি, শেষ পর্যন্ত হয়তো কেন্দ্র (centre) এই উদ্যোগ থেকে বিরত থাকবে। কিন্তু মঙ্গলবার প্রয়াগরাজে দু লাখের ওপর মহিলার সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন,  কেন্দ্র এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে। আগে মহিলাদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ছিল ১৮ বছর। কিন্তু মেয়েরাও এখন আরও বেশি পড়াশোনার (study) সময় (time) চাইছে। সেজন্যই আমরা বিয়ের বয়স বাড়িয়ে ২১ করার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে কারও নাম না করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারও এতে সমস্যা হলে মহিলারা সেটাও দেখবেন!

সামনেই উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট। তার আগে গত মাস থেকে এই নিয়ে দশবার রাজ্য সফরে এলেন মোদী। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা থেকে শুরু করে শিক্ষা, অর্থনীতি, মহিলা ক্ষমতায়ন বিজেপি সরকারের অগ্রাধিকার বলে দাবি করেন তিনি। আজ যে প্রয়াগরাজ সফর করলেন তিনি, সেখানে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি, মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টির শক্ত ভোটভিত্তি আছে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসও মহিলা কেন্দ্রিক প্রচারের সুর বেঁধে দাগ কাটতে চাইছে। পাল্টা প্রধানমন্ত্রী ৫ বছর আগের সমাজবাদী পার্টির আমলের উল্লেখ করে বলেন, ৫ বছর আগে উত্তরপ্রদেশে মাফিয়ারাজ, গুন্ডারাজ চলত। যার ফলে সবচেয়ে বেশি ভুগতে হত মহিলাদের। কিন্তু তাঁরা কিছু বলতে পারতেন না। থানায় গেলে অপরাধী, ধর্ষণকারীদের সমর্থনে ফোন চলে যেত।  কিন্তু যোগী আদিত্যনাথ অপরাধীদের উপযুক্ত জায়গায় পাঠিয়ে দিয়েছেন। মহিলারা বুঝতে পেরেছেন, আর ঘরের চার দেওয়ালে তাদের আটকে  রাখা যাবে না। তারা আগের পরিস্থিতিতে ফিরে যেতে চান না। তারা আগের সরকার ফেরাতে চান না, যারা তাদের জন্য কিচ্ছু করেনি। আজ মহিলারা জানেন, কোন দলের তাদের স্বার্থ পূরণ করে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী আজকের ভাষণে কেন্দ্রীয় স্কিমের আওতায় সেলফ হেল্প গোষ্ঠীগুলিকে ১০০০ কোটি টাকা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সূচনার কথা বলেছেন,  যাতে লাভবান হতে পারেন প্রায় ১৬ লাখ মহিলা। পাল্টা প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর প্রশ্ন, গত ৫ বছরে করেননি, কেন ভোটের আগে এই ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর। উত্তরপ্রদেশের মহিলাদের কী বলেছিলাম? ওদের শক্তি নিজের পক্ষে টানতে প্রধানমন্ত্রীকেও হাঁটু গেড়ে বসতে হল!

 

 

 

 

 

 

You might also like