Latest News

Post Office: পোস্ট অফিসের কাঁচা বাড়ি পাকা হল, ওড়িশার গ্রাম কেন আলোচনায়?

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন কয়েক আগে দেশের মধ্যে প্রথম ‘ডাকঘর কাফে’ চালু হয়েছে কলকাতা জিপিও-তে (Post Office)। পোস্ট অফিসের সামগ্রী কেনাকাটার ফাঁকে এসি রুমে দু-দণ্ড জিরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি মিলবে চা-কফি-সহ অন্যান্য পানীয় এবং নানা ধরনের মুখরোচক খাবার।

অন্যদিকে, ওড়িশাশার কেন্দ্রাপাডা জেলার ৩১০টি গ্রামীণ ডাকঘরের শ-খানেক হল ভাড়াবাড়িতে এবং অনেকগুলিই ভগ্ন দশা। আর গোটা দেশে এমন ডাকঘর কয়েক হাজার।

তার একটি ছিল কেন্দ্রাপাড়ার গাগুয়া গ্রামে। বেশ কয়েক বছর ধরেই মাটির ডাকঘর বাড়িটির ভগ্ন দশা কাটাতে কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রামবাসীরা দরবার করে যাচ্ছিলেন। ১৯২৭ সালে চালু হওয়া ডাকঘরটিকে ঘিরে গ্রামবাসীদের বিস্তর আবেগ, অনেক স্মৃতি। ওড়িশার ভজন সম্রাট নামে খ্যাত ভিখারি বল এই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ডাকঘরে নিয়মিত যাতায়াত ছিল তাঁর। তবু ডাকঘর কর্তৃপক্ষের কাছে কিছুতেই জাতে উঠছিল না শতাব্দী প্রাচীন ডাকঘরটি।

শেষে গ্রামবাসীরাই উদ্যোগ নেন ডাকঘরের কাঁচা বাড়ি পাকা করার। শুরু হয় চাঁদা তোলা। গ্রামের ৩১০টি পরিবারের সকলেই কিছু কিছু করে দিয়েছেন। তাতেই সংগ্রহ হয় লাখ দুয়েক টাকা। সেই অর্থ দিয়ে পাকা বাড়ি হয়েছে ডাকঘরের। সম্প্রতি নতুন বাড়িতে উঠে গিয়েছে ডাকঘর। গ্রামবাসীদের এই উদ্যোহে নানাভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ডাকঘর কর্তৃপক্ষ।

আর পাঁচটা গ্রামের মতো গাগুয়াতে বিদ্যুৎ আছে। আছে মোবাইল, ইন্টারনেট। তবু পোস্ট অফিসে ভরসা কেন? গ্রামবাসীদের বক্তব্য, এখনও চিঠি লেখার চল আছে। কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন যারা তারা মানি অর্ডার করে পরিবারকে টাকা-পয়সা পাঠায়। গ্রামে ব্যাঙ্ক নেই। ডাকঘরের লেনদেন ব্যবস্থাই ভরসা। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই চাঁদা তুলে ডাকঘর পাকা করা হয়েছে।

জেলা ডাকঘর কর্তৃপক্ষের তরফে এক অফিসার জানিয়ে গাগুয়ার দৃষ্টান্ত বাকিদের কাছে অনুকরণযোগ্য। আসলে গ্রামীণ জীবনে ডাকঘরের প্রয়োজন যে এখনও ফুরোয়নি এবং মানুষ এই ব্যবস্থাকে ককটা ভরসা করে, চাঁদা তুলে পাকা বাড়ি বানিয়ে দেওয়া তারই দৃষ্টান্ত।

বঙ্গ সিপিএমে প্রথম সংখ্যালঘু সম্পাদক, লাস্ট ল্যাপে আলিমুদ্দিনের হটসিটে সেলিম

You might also like