Latest News

এসপ্ল্যানেড থেকে রাতে ছাড়ছে দূরপাল্লার একগুচ্ছ ভলভো বাস! জেনে নিন রুট, ভাড়া, সময়

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শীতের মরসুমে দূরপাল্লার যাত্রী এবং পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে ভলভো বাসের বিশেষ নৈশ পরিষেবা শুরু করছে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগম।বৃহস্পতিবার থেকে চালু হয়েছে পরিষেবা। প্রাথমিক ভাবে ঠিক হয়েছে, কলকাতা থেকে কৃষ্ণনগর, বহরমপুর হয়ে ফরাক্কা, কলকাতা থেকে কোলাঘাট, ডেবরা, লোধাশুলি হয়ে ঝাড়গ্রাম, কলকাতা থেকে আরামবাগ, কোতলপুর, বিষ্ণুপুর হয়ে পুরুলিয়া এবং কলকাতা থেকে বর্ধমান, দুর্গাপুর হয়ে আসানসোল রুটে বাসগুলি চলবে।

ভাড়া কলকাতা-পুরুলিয়া ৫৯০ টাকা। ফরাক্কা-কলকাতা ৬৬০ টাকা। ঝাড়গ্রাম-কলকাতা ৩৯০ টাকা। আসানসোল-কলকাতার ভাড়া ৫০০ টাকা।

এসপ্ল্যানেড থেকে পুরুলিয়াগামী বাস রাত ১০টায় ছেড়ে পরদিন ভোর ৫টা ৫ মিনিটে পুরুলিয়া পৌঁছবে। পুরুলিয়া থেকে রাত ১০টায় একটি ভলভো বাস ছেড়ে পর দিন সকালে এসপ্ল্যানেড পৌঁছবে। এসপ্ল্যানেড থেকে ফরাক্কাগামী বাস রাত ৯টায় ছেড়ে পরদিন ভোর সাড়ে ৫টায় বাসটি গন্তব্যে পৌঁছবে। ফরাক্কা থেকে রাত ৯টায় বাস ছেড়ে পরদিন ভোর সাড়ে ৫টায় কলকাতা পৌঁছবে। কলকাতা থেকে আসানসোলগামী বাস রাত ৮ টায় এসপ্ল্যানেড থেকে ছেড়ে রাত সাড়ে ১২টায় গন্তব্যে পৌঁছবে। আসানসোল থেকে দুপুর দুটোয় বাস ছেড়ে সন্ধ্যা ৬ টা ৪০ মিনিটে কলকাতা পৌঁছবে। ঝাড়গ্রামগামী বাস বিকেল ৫টায় ছেড়ে রাত সাড়ে ৯ টায় পৌঁছবে। ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতাগামী বাস সকাল ৭টায় ছেড়ে বেলা সওয়া ১১টায় পৌঁছবে।

এসপ্ল্যানেড টার্মিনাস ইনচার্জ অতনু ভট্টাচার্য জানালেন, বেসরকারি বাসের তুলনায় ভাড়া কম রাখা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে রুটগুলিতে পর্যাপ্ত যাত্রী মিলবে। দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন নিগমের ভলভো পরিষেবা এই প্রথম।ওই রুটগুলিতে বেসরকারি ভলভো সার্ভিসের ভাড়া ৫০-৭০ টাকা বেশি। তবে সেগুলিতে যাত্রী পরিষেবা অনেক ভালো বলে দাবি শ্যামলী পরিবহনের কর্মী তপন দে-র। তিনি বললেন, ‘সরকারি পরিষেবার থেকে আমাদের পরিষেবা অনেক ভালো। আমাদের বাস অনেক কম্ফোর্টেবল।’ এক কন্ডাক্টার বললেন, ‘শীত পড়তে শুরু করেছে। এখন এসি বাসের চাহিদাও কমছে। তবে সরকারি পরিষেবা চালু হলেও আমাদের চাহিদা কমবে না।’

আসানসোলগামী বাসের যাত্রী রূপেশ ভগত ব্যবসার কাজে সকালে কলকাতায় আসেন। বিকেলে ফিরে যান। বললেন, ‘সরকারি বাসে চড়ার ইচ্ছে আছে। কাজের সূত্রে দেরি হয়ে গেলেও রাতে বাস পাব।’ওয়েডিং ফটোগ্রাফার অর্ক দে পুরুলিয়া থেকে কলকাতায় আসেন। তিনিও সরকারি ভলভো চালু হওয়ায় খুশি। বললেন, ‘নিত্যযাত্রী ছাড়াও ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এটা সুখবর।’

You might also like