Latest News

৯৭-এ যাত্রা শেষ, চলে গেলেন হলিউডের কিংবদন্তী অভিনেত্রী ডরিস ডে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ৫০ ও ৬০-এর দশকে হলিউড কাঁপাতেন তিনি। তাঁর একের পর এক ছবি জায়গা করে নিয়েছিল দর্শকদের মনে। সেইসঙ্গে তিনিও হয়ে উঠেছিলেন সেই সময় হলিউডের এক নম্বর অভিনেত্রী। শুধুমাত্র নায়িকা নন, গায়িকা হিসেবেও তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল চারদিকে। অবশেষে সোমবার চলে গেলেন হলিউডের কিংবদন্তী অভিনেত্রী ডরিস ডে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর।

সোমবার ডরিস ডে অ্যানিমাল ফাউন্ডেশন বিবৃতি দিয়ে জানায়, ক্যালিফোর্নিয়ার কারমেল ভ্যালির বাড়িতে মৃত্যু হয়েছে এই অভিনেত্রীর। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “৯৭ বছর বয়সেও ভালো ছিলেন তিনি। কোনও রকমের অসুস্থতা তাঁর ছিল না। কিন্তু কয়েকদিন আগেই ভয়ানক নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হন ডরিস। এই কারণেই সোমবার তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর সময় তাঁর কাছের লোকেরা তাঁর সঙ্গে ছিলেন। ডরিসের ইচ্ছে ছিল, তাঁর মৃত্যুর পর যেন কোনও রকমের অনুষ্ঠান না করা হয়। তাই পরিবারের কাছের লোকেদের উপস্থিতিতেই তাঁকে কবর দেওয়া হয়েছে।”

৫০ ও ৬০-এর দশকে হলিউড কাঁপিয়েছেন এই অভিনেত্রী। রক হাডসনের সঙ্গে জুটি বেঁধে বেশ কিছু মনমাতানো রোম্যান্টিক কমেডি ছবি উপহার দিয়েছেন তিনি। তাঁর করা উল্লেখযোগ্য ছবিগুলি হলো ‘পিলো টক ( ১৯৫৯ ), ‘মিডনাইট লেস’, ‘টানেল অফ লাভ’, ‘বিলি রোজ্‌স জাম্বু’, ‘মুভ ওভার ডার্লিং’ প্রভৃতি।

রক হাডসন ও ডরিস ডে

তবে শুধু ছবিই নয়, গায়িকা হিসেবেও তিনি ছিলেন সমান পারদর্শী। তাঁর কর্মজীবন শুরু সঙ্গীতশিল্পী হিসেবেই। ১৯৩৯ সালে বিগ ব্যান্ডের সংগীতশিল্পী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। এরপর তার প্রথম রেকর্ডিং ‘সেন্টিমেন্টাল জার্নি’ তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাইয়ে দেয়। এরপর ‘লে ব্রাউন অ্যান্ড হিজ ব্যান্ড অফ রিনাউন’ ত্যাগ করার পর তিনি ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৭ সালের মধ্যে ৬৫০-এর অধিক গানের রেকর্ড করেন, যা তাকে বিংশ শতকের অন্যতম জনপ্রিয় ও সমাদৃত সংগীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

ডরিস ডে অবশ্য কোনও দিন অস্কার পুরস্কার পাননি। ১৯৫৯ সালে পিলো টক ছবির জন্য অস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিনি। অস্কার না পেলেও ২০০৪ সালে তিনি ‘প্রেসিডেনসিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম’ ও ২০০৮ সালে ‘লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট গ্র্যামি’ পুরস্কার পান। ২০১১ সালে তাঁর শেষ অ্যালবাম বেরায়, যার নাম ‘মাই হার্ট’। তাঁর বিভিন্ন বিখ্যাত গানকে এক জায়গায় করে এই অ্যালবাম প্রকাশ করা হয়। এতদিন পরেও ২০১১ সালে ব্রিটেনের সেরা অ্যালবাম হয়েছিল ‘মাই হার্ট’।

আরও পড়ুন

https://www.four.suk.1wp.in/this-gujarat-man-had-a-lavish-wedding-but-no-bride/

You might also like