Latest News

হার না মানা জেদই সাফল্যের চাবিকাঠি, একুশে দেশকে গর্বিত করেছেন যে তেজস্বিনীরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সামাজিক প্রতিবন্ধকতা লক্ষ্যের পথে বাধা হয়নি। অক্লান্ত পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ে নিয়মের শৃঙ্খলকে ভেঙেচুরে সমাজে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন এই তেজস্বিনীরা। তাঁদের মেধা আর সাহসকে কুর্নিশ জানিয়েছে পুরুষতান্ত্রিক সমাজও। কেউ স্টেথো ধরেন আবার স্টেনগানও চালান, কেউ লিখতে পড়তে না জেনেও হাজার হাজার গান লিখে ফেলতে পারেন নির্দ্বিধায়, কেউ ক্রীড়াজগতে স্বর্ণাক্ষরে লিখে ফেলেছেন নিজের নাম। লিঙ্গবৈষম্যকে এঁরা মানেননি, নারীশক্তি-নারীমুক্তি নিয়ে আস্ফালণও করেননি। লক্ষ্য স্থির থেকে সাফল্যকে মুঠোবন্দি করেছিলেন। একুশ সালে দেশকে গর্বিত করেছেন যে তেজস্বিনীরা, মুগ্ধ করবে তাঁদের জীবনের কাহিনি।।

 

দেশের প্রথম মহিলা এয়ার মার্শাল ডক্টর পদ্মা

অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল ডক্টর পদ্মা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এ বছরই পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর দীর্ঘ অবদান এবং দেশের সেবার জন্য এই স্বীকৃতি দেওয়া হয় তাঁকে। ভারতীয় বিমান বাহিনীতে এয়ার মার্শাল পদে উন্নীত হওয়া প্রথম মহিলা ছিলেন এই পদ্মা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিমান বাহিনী থেকে অবসরের পর তিনি এখন সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। ভারতীয় বায়ুসেনার প্রথম এয়ার ভাইস মার্শাল, এয়ার ফোর্স মেডিক্যালের প্রথম মহিলা এডিজি (অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল) এবছরেই পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন।

Air Marshal Dr Padma Bandopadhyay awarded Padma Shri - NewsBharati

১৯৪৪ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতিতে জন্ম পদ্মাবতীর। পদ্মাবতী স্বামীনাথন। বাবা ভি স্বামীনাথন কড়া হলেও মেয়ের শিক্ষার ব্যাপারে যথেষ্টই উদার ছিলেন। পরাধীন ভারতের গোঁড়া পরিবারে জন্মেও পর্দার আড়ালে থাকেননি পদ্মাবতী। স্কুলের পাঠ তখন জোরকদমে চলছে, পদ্মাবতীর মা যক্ষ্মায় আক্রান্ত হলেন। একটু একটু মাকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে দেখেছেন। সেই সময় তাঁর মায়ের চিকিৎসা করতেন এক প্রতিবেশী মহিলা ডাক্তার। তাঁরও নাম ছিল পদ্মাবতী। লেডি হার্ডিঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপিকা ডাক্তার এস আই পদ্মাবতী। তাঁর সংস্পর্শে এসেই ডাক্তার হওয়ার সাধ জাগে কিশোরী পদ্মাবতীর মনে।

Meet Padmavathy Bandopadhyay, a true epitome of women empowerment

১৯৭৫ সালে অ্যাভিয়েশন মেডিসিনে স্পেশালাইজেশন করেন পদ্মাবতী। ১৯৭৮ সালে ডিফেন্স সার্ভিস স্টাফ কলেজের এন্ট্রান্সে পাশ করেন রেকর্ড নম্বর নিয়ে। ২০০০ সালের ২৬ জুন ইতিহাস গড়েন পদ্মাবতী বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারতীয় বায়ুসেনা বাহিনীর প্রথম এয়ার মার্শাল হন তিনি। এয়ারফোর্স মেডিক্যাল ইউনিটের কম্যান্ডিং অফিসারের দায়িত্ব ছিল তাঁরই কাঁধে। এয়ারফোর্স মেডিক্যাল কম্যান্ডিং অফিসারের দায়িত্বে অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য ২০০২ সালের ২৬ জানুয়ারি অতি বিশিষ্ট সেবা মেডেলে সম্মানিত করা হয় তাঁকে। বিজ্ঞানচর্চাতেও ছিল তাঁর ঝোঁক। ডিফেন্স ইনস্টিটিউট অব ফিজিওলজি অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সে উইং কম্যান্ডার হিসেবে পোস্টিংয়ের সময় উত্তর মেরুতে দীর্ঘদিন গবেষণা চালিয়েছিলেন তিনি। এর জন্য তাঁকে ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছিল। নিউ ইয়র্ক অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সের সদস্যও হয়েছিলেন পরবর্তীকালে। ২৩টি রিসার্চ প্রজেক্ট আছে তাঁর, ২৭টি পাবলিকেশন আচে তাঁরই নামে।

 

 

লিখতে-পড়তে জানেন না, ৫০ হাজারের বেশি গান রচনা করে পদ্মশ্রী পেয়েছেন পূর্ণমাসি

তাঁর গানে শুধু ঈশ্বরের আরাধনা নয়, নারীশক্তি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদও ধ্বনিত হয়। প্রথাগত স্কুল শিক্ষা নেই। আদিবাসী গরিব ঘরের গৃহবধূ ছিলেন। লিখতে পড়তেও জানেন না। কিন্তু তাঁর প্রতিটি গান সমাজের অনেক গূঢ় তত্ত্ব তুলে ধরে। নারীদের সম্মানের কথা বলে। ওড়িশার আধ্যাত্মিক গুরু পূর্ণমাসি জানিকে এ বছর পদ্মশ্রী সম্মান দেওয়া হয়েছে।

Purnamasi Jani: Know This Padma Shri Awardee From Odisha - Odisha Bytes
কন্ধমল জেলার আদিবাসী সম্প্রদায়ের এই মহিলাকে আধ্যাত্মিক গুরুই মানেন সেখানকার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের কাছে তাঁর পরিচিতি তাদিসারু বাই নামে। প্রথাগত শিক্ষা নেই, কিন্তু তিনটি ভাষায় পারদর্শী পূর্ণমাসি। আদিবাসী কুই ভাষা, ওড়িয়া ও সংস্কৃত। লিখতে পড়তে না পারলেও সংস্কৃতে তাঁর জ্ঞান নাকি অপার। ৫০ হাজারের বেশি গান বানিয়েছেন পূর্ণমাসি। তিনটি ভাষাতেই গান বাঁধতে পারেন তিনি। মুখে মুখে গান বাঁধেন, আর তা লিখে রাখেন তাঁর শিষ্যরা। হাজারের বেশি শিষ্য আছে পূর্ণমাসি জানির।

১৯৬৯ সালে তাদিসারু নামে একটি পাহাড়ের ওপর দীর্ঘসময় ধরে তপস্যা করেছিলেন পূর্ণমাসি। সে সময় কিছু শক্তিও নাকি পেয়েছিলেন তিনি। এরপরেই জীবন পাল্টে যায় তাঁর। লোকমুখে শোনা যায়, পূর্ণমাসি কুই ভাষা ছাড়া কিছু বলতে পারতেন না। লেখাপড়া তো দূরের কথা। কিন্তু তপস্যা সেরে ফেরার পরে ওড়িয়া, সংস্কৃতে ভাষাতেও তাঁর পাণ্ডিত্য দেখে চমকে যান সকলে। কীভাবে সমাজ ও সংসারের গূড় তত্ত্বকথা নিয়ে সংস্কৃতেও গান বাঁধেন পূর্ণমাসি সে রহস্য এখনও অজানা। নারী ও শিশু সুরক্ষা, বলি প্রধার বিরুদ্ধেও গান বেঁধেছেন পূর্ণমাসি। ২০০৬ সালে ওড়িয়া সাহিত্য আকাদেমি থেকে পুরষ্কার পান পূর্ণমাসি। ২০০৮ সালে দক্ষিণ ওড়িয়া সাহিত্য পুরষ্কার দেওয়া হয় তাঁকে।

‘বনের দেবী’ তুলসী

তিনি অরণ্যের দেবী। লক্ষ লক্ষ গাছের জন্ম দিয়েছেন। ধরিত্রীর এই মাকে পদ্মশ্রী সম্মান দিয়ে কুর্নিশ করেছে দেশ। তিনি কর্নাটকের বাসিন্দা তুলসী গৌড়া। বয়স তাঁর ৭২। সারা জীবন ধরে ৩ লক্ষেরও বেশি গাছ লাগিয়ে পরিবেশকে আরও একটু সবুজ ও সুন্দর করে তুলেছেন তিনি। তাঁর নিঃশর্ত ও নিঃস্বার্থ অবদানকে স্বীকৃতি জানিয়েছে রাষ্ট্র।

Meet Padma Shri Tulasi Gowda, The Encyclopedia Of Forest - SheThePeople TV

দক্ষ পাইলট, দুর্জয় সাহস, আকাশ জয় করেছেন জোয়া

বিমান উড়িয়ে বিশ্বের দুর্গমতম পথ পাড়ি দিয়েছেন এয়ার ইন্ডিয়ার মহিলা পাইলট জোয়া আগারওয়াল। সুমেরু বৃত্ত পার হওয়া সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের কাজ। সেখানেই নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন জোয়া। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সুমেরু পার করতে গেলে বহু বছরের অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। ওই পথ নাকি বিশ্বের সবচেয়ে দুর্গম এলাকা। সুমেরুর ওপর দিয়ে উড়ানের সময় নানা সমস্যা হতে পারে। কম্পাসের কাঁটা সেখানে ১৮০ ডিগ্রিতে ঘোরাফেরা করে। বিমানে যান্ত্রিক সমস্যাও হতে পারে। খুবই দক্ষ ও অভিজ্ঞ পাইলট ছাড়া ওই পথ নিরাপদে পার হওয়া সম্ভব নয়।

Air India's Zoya Aggarwal to command world's longest route | Latest News  India - Hindustan Times

জোয়া আত্মবিশ্বাসী। ২০১৩ সালেও সবচেয়ে কমবয়সী পাইলট হিসেবে দীর্ঘতম পথ বিমানে পাড়ি দিয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। এবার ১৬ হাজার কিলোমিটারের দীর্ঘতম পথ পাড়ি দিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন। এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে
বড় বাণিজ্যিক বিমানরুট। মোট ১৭ ঘণ্টারও বেশি সময় উড়েছে বিমানটি।

 

অলিম্পিক বক্সিংয়ে ভারতকে গর্বিত করলেন লাভলিনা

২৩ বছরের তরুণী জিতেছেন ব্রোঞ্জ পদক। অসমের গোলাঘাট জেলায় ১৯৯৭ সালে জন্ম লাভলিনার। কিকবক্সার হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন লাভলিনা। তাঁর দুই বোন লিচা ও লিমাও কিকবক্সিংয়ে জাতীয় স্তর অবধি গিয়েছিলেন, তবে আর্থিক কারণে এগিয়ে যেতে পারেননি। লাভলিনার প্রতি বরাবরই ভরসা রেখেছিলেন তাঁর বাবা-মা। স্কুলে পড়ার সময়েই স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার নজরে পড়েন তিনি। একটি ট্রায়ালে নির্বাচিত হয়ে ২০১২ সাল থেকে প্রশিক্ষণ শুরু করেন।

Lovlina Borgohain: 5 things to know about the two-time World Championships  bronze medallist
লাভলিনার প্রথম বড় সুযোগ আসে ২০১৮ সালে কমনওয়েলথ গেমসের ওয়েলটারওয়েট বক্সিং বিভাগে। যদিও কোয়ার্টার ফাইনালে বক্সার স্যান্ডি রায়ানের কাছে হেরে গিয়েছিলেন তিনি, তবে লাভলিনার দুরন্ত পারফরম্যান্স নজর কেড়েছিল।
২০১৮ ও ২০১৯ সালে মহিলা বিশ্ব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ পদক জিতে দেশকে গর্বিত করেছিলেন লাভলিনা। দিল্লিতে ভারত ওপেন ইন্টারন্যাশনাল বক্সিং টুর্নামেন্টে স্বর্ণপদক জেতেন। গুয়াহাটিতে দ্বিতীয় ওপেন ইন্টারন্যাশনাল বক্সিং টুর্নামেন্টে রূপো জেতেন। অসম থেকে তিনিই অলিম্পিকের জন্য যোগ্যতা অর্জনকারী প্রথম মহিলা বক্সার। গত বছর অর্জুন পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছিল তাঁকে।

কাঠকুড়ানি থেকে অলিম্পিকে রুপোজয়ী ভারত্তোলক, মীরাবাই চানুকে কুর্নিশ
পাঁচ বছরের মেয়েটা যখন ভারী জলের ড্রাম মাথায় করে এক কিলোমিটার রাস্তা হেঁটে আসত, অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকতেন মা-বাবা। হাত কাঁপত না, পা টলমল করত না। ছোট্ট শিশু ভারী ভারী জলের ড্রাম মাথায় তুলে নিত অবলীলায়। বয়স যখন ১২ বছর, বন থেকে ভারী কাঠের বোঝা মাথায় নিয়ে পাহাড়ি এবড়ো খেবড়ো রাস্তা বেয়ে বাড়ি নিয়ে আসত সেই কিশোরী। দাদারাও যে কাঠের ভার বইতে পারতেন না, ছোট বোন তা করে ফেলত খুব সহজেই। বাবা-মায়ের দূরদৃষ্টি বুঝেছিল বুঝেছিল এই মেয়ের মধ্যে এমন এক সহজাত ক্ষমতা আছে যা তাকে সাফল্যের শিখরে নিয়ে যেতে পারে। আর হয়েছেও তাই। কাঠকুড়ানি সেই মেয়েই এখন ভারত্তোলক সাইখোম মীরাবাই চানু, টোকিও অলিম্পিকে রুপোর পদক এনে দিয়েছে ভারতকে।

Commonwealth Games 2018: Saikhom Mirabai Chanu wins gold, P Gururaja silver | Business Standard News

মণিপুরের ইম্ফল শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে মীরাবাই চানুর গ্রাম নংপক কাকচিং। পাহাড়ি গ্রাম। কোথাও যেতে হলে পায়ে হাঁটাই ভরসা। ছোট্ট চানুর জেদ ছিল জীবনে কিছু করে দেখানোর। তার ওপর বাবা-মায়ের উৎসাহে ভারত্তোলনে আগ্রহও তৈরি হয়। এই উৎসাহকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিলেন কুঞ্জরানি দেবী। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সাত বারের রুপো জয়ী কুঞ্জরানিই ভারত্তোলনের নেশা ধরিয়ে দিয়েছিলেন চানুকে। তাঁকে দেখেই ১৪ বছরের মেয়েটার জীবনের লক্ষ্যও বদলে যায়। প্রথমে মণিপুরের স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (সাই)-তে ট্রেনিং শুরু হয়, পরে সেখান থেকে পাতিয়ালায়। সাইখম মীরাবাই চানুর জয়যাত্রার সূচনা হয়। ২০১৪ সালে গ্লাসগো কমনওয়েলথে জীবনের প্রথম বড় সাফল্য পান চানু। ৪৮ কেজি বিভাগে রুপো জিতে জেদি মেয়েটা প্রমাণ করে দেয়, আত্মবিশ্বাস আর পরিশ্রমই স্বপ্ন পূরণ করতে পারে। সাফল্যের সঙ্গে ব্যর্থতাও এসেছিল বহুবার। ভেঙে পড়েননি চানু। জানতেন জীবনের সবচেয়ে বড় হারের মধ্যেই জেতার অনুপ্রেরণা লুকিয়ে থাকে। একের পর এক জয়ের পদক ছিনিয়ে এনেছেন। রাজীব গান্ধী খেলরত্ন সম্মানে তাঁকে সম্মানিত করে সরকার। ২০১৮ সালে পান পদ্মশ্রী সম্মান।

 

প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে অলিম্পিকে জোড়া পদক সিন্ধুর

সিন্ধু সভ্যতায় নতুন ইতিহাস রচিত হয়েছে। একমাত্র ভারতীয় মহিলা যাঁকে রাখতেই হবে বাকিদের থেকে এক আসন ওপরে। ভারত থেকে ব্যাডমিন্টনে তিনিই একমাত্র বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। সব মিলিয়ে পাঁচটা বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ পদক। একমাত্র মেরি কম ছাড়া আশেপাশে কেউ নেই। মোট ৬ জন ভারতীয় মহিলা অলিম্পিক্সে পদক জিতেছেন। কিন্তু জোড়া পদক সিন্ধু ছাড়া আর কারও নেই।

You might also like