Latest News

৩ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন! ৩ মাসে ফাঁসির সাজা পকসো কোর্টে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইনি দীর্ঘসূত্রিতার জন্য ন্যয়বিচার (justice) চেয়ে বছরের পর বছর অপেক্ষা করে হতাশ  হয়ে পড়া লোকজনের কাছে আশার আলো (ray of hope)। উত্তরপ্রদেশের (uttarpradesh) ফতেপুরে তিন বছরের মেয়ের ধর্ষণ (rape), খুনের (murder) মামলায় অভিযুক্ত (accused)  দীনেশ পাসোয়ানকে ৯০ দিনে শুনানি, বিচারপর্ব শেষ করে দোষী (convict) ঘোষণা করে মৃত্যুদণ্ড (death sentence) দিল পকসো আদালত (posco court)। বলা হচ্ছে, অতিরিক্ত দায়রা বিচারক মহম্মদ আহমেদ খান ঐতিহাসিক নজির তৈরি করলেন। দোষীকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

সরকারি কৌঁসুলি সহদেব গুপ্তা জানিয়েছেন, ২০২১ এর ১৫ অক্টোবর দুপুরে তিন  বছরের মেয়েটিকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। ঘটনাটি ফতেপুরের খাগা কোতোয়ালি এলাকার সুজারাহি গ্রামের। মেয়েটির পরিবারের লোকজন প্রতিমা বিসর্জনে গিয়েছিলেন। মেয়েটিকে একলা পেয়ে দীনেশ আপেল খাওয়ানোর নাম করে নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ,  খুন করে। বিছানা, বালিশের তলায় দেহটি চাপা দিয়ে রাখে সে। বাড়ি ফিরে মেয়েকে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। অনেক রাতে তারা দীনেশের ঘরে সন্দেহের বশে ঢুকতেই সে ঘাবড়ে যায়। ঘর তল্লাশি করে বাচ্চাটির দেহ উদ্ধার হয়।  এ ঘটনায় ভিন্ন সম্প্রদায় জড়িয়ে পড়ায় গ্রামে উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে  দীনেশকে গ্রেফতার করে। সাতদিনে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় তারা। সরকারি কৌঁসুলিরা ন্যয়বিচার চেয়ে আদালতে সওয়াল করেন। ১৭ জন সাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করা হয়।

২৫ বছরের দীনেশ কৌশাম্বি জেলার কাদাধাম কোতোয়ালি এলাকার দারা নগরের বাসিন্দা। মালবাহকের কাজ  করত সে, থাকত সুজারাহি এলাকার ভাড়াবাড়িতে।  ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর তার পরিবারের লোকজনও তার সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করেছে।

শুনানি পর্বে সরকারি কৌঁসুলিরা বহু পুরানো মামলার রায়ের উল্লেখ করে সওয়াল করেন। জানান, ২০১৭র ৩ মে বসন্ত সম্পত দুপারে বনাম মহারাষ্ট্র সরকার মামলায় সুপ্রিম কোর্ট একটি ৪ বছরের মেয়ের ধর্ষণে দোষীর প্রাণদণ্ডের রায় বহাল রাখে।  ২০১৬র ২০ জানুয়ারি অশোক ঘুমারে বনাম মহারাষ্ট্র সরকার মামলায়ও শীর্ষ আদালত ৪ বছরের মেয়েকে চকোলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ, খুনের মামলায় দোষীর ফাঁসির সাজা বহাল রাখে। নিঠারির সুরেন্দ্র কোলি মামলার উল্লেখও করা হয়। কোলি ছোট ছোট মেয়েদের বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ করে তাদের অঙ্গপ্রতঙ্গ কেটে টুকরো করে খেত। কোলি মামলায়ও মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল বিচারপতি মার্কন্ডেয় কাটজু ও বিচারপতি জ্ঞান সুধা মিশ্রের বেঞ্চ।

 

You might also like