Latest News

এক হাতে পাচন, অন্য হাতে নকুলদানা, বোলপুরে নরম-গরম প্রচার কেষ্ট বাহিনীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো, বোলপুর: এ যেন সেই বাঁদরকে বশ করার ফর্মুলা! সেখানে ছিল এক হাতে লাঠি আর অন্য হাতে গাজর। অনুব্রত মণ্ডলের বীরভূমে সেটাই একটু পাল্টে গিয়ে, এক হাতে পাচন, অন্য হাতে নকুলদানা।
সোমবার সকালে বোলপুর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুরজিৎ বটব্যালেংড়া নেতৃত্বে প্রচারে নামেন তৃণমূল কর্মীরা। সেখানেই দেখা যায় এক হাতে পাচন আর অন্য হাতে নকুলদানার থালা নিয়ে ভোট চাইছেন তাঁরা। নকুলদানা খাওয়াচ্ছেন পথচলতি সকলকেই। আর বলছেন,  “উন্নয়ন বজায় রাখতে এ বার অসিত মালকে ভোট দিন।” পাচনটা শুধু হাতেই ধরা। পর্যবেক্ষকদের মতে, ঘুর পথে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে ভোট না দিলে কপালে দুঃখ আছে।
সুরজিৎ বটব্যাল বলেন, “দাদা গতবার গুড়বাতাসা খাওয়াতে বলেছিলেন। তাই করেছিলাম। এ বার দাদার দাওয়াই পাচন আর নকুলদানা। আমরা তাই-ই করছি। “
গত বছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষে বীরভূম জেলাপরিষদ গঠনের দিন বলেছিলেন, “পুজোর পর থেকেই শুরু হবে পাচন দাওয়াই।” কিন্তু এই মার্চের মধ্যভাগে দিন কয়েক আগে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বলছিলেন, “পাচন আর খুব একটা দরকার হবে না।” কিন্তু প্রচারে দেখা গেল, দুটো নিয়েই ময়দানে নেমেছে কেষ্ট বাহিনী।
বিজেপি অবশ্য এ নিয়ে কমিশনে অভিযোগ জানানোর কথা বলেছে। জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় বলেন, “এ তো প্রকাশ্যে হুমকি। আমরা কমিশনকে জানাব।”

ইতিমধ্যেই বীরভূমে পৌঁছে গিয়েছে কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঝাড়খণ্ড সীমান্তে শুরু হয়েছে নাকা চেকিং। কিন্তু কেষ্ট মণ্ডল এ সবে দমছেন না। তাঁর সাফ কথা, “আমেরিকা, লন্ডন যেখান থেকে খুশি ফোর্স আনুক। এখানে কিস্যু হবে না।” দাদার অভয় পেয়ে  তাই নেমে পড়েছেন তাঁর ভাইয়েরাও।

You might also like