Latest News

প্রোমোটার-ইঞ্জিনিয়ার অসাধুচক্র ভাঙতে চাইছে নবান্ন, ব্যবস্থা শিগগির

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে যোগসাজশে কিছু অসাধু প্রোমোটার মৌরসিপাট্টা চালান, এই অভিযোগ নতুন নয়। তা রুখতেই এ বার পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর সূত্রের খবর, ইঞ্জিনিয়ারদের এ বার চাকরিতে ঢুকতে হবে মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষার মাধ্যমে। একই সঙ্গে তাঁদের জন্য বলবৎ হবে বদলি নীতি।

এতদিন নামকে ওয়াস্তে একটা বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়ে  পুরবোর্ডগুলি ইঞ্জিনিয়র নিয়োগ করত। এ বার সেটাকেই বন্ধ করতে চাইছে রাজ্য। জানা গিয়েছে, আইপিএস, এইএএসদের মতো পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারদের জন্যও ক্যাডার সার্ভিস চালু করছে সরকার। অর্থাৎ পুরসভাগুলিতে ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগের ব্যাপারে আর কোনও এক্তিয়ার থাকবে না বোর্ডের।

দেখা যায়, একজন ইঞ্জিনিয়ার যে পুরসভায় চাকরিতে ঢোকেন, তিনি অবসর নেন সেখান থেকেই। পর্যবেক্ষকদের মতে, একই জায়গায় থাকতে থাকতে যা হওয়ার তাই হয়। প্রোমোটারদের একটা অংশের সঙ্গে একাংশের ইঞ্জিনিয়ারদের একটা চেন সিস্টেম হয়ে যায়। যা থেকে মাথা চাড়া দেয় দুর্নীতি। এর সঙ্গেই দেখা যায় কাউন্সিলররাও যুক্ত হয়ে পড়েন এই চক্রে। সেটাকেই ভাঙতে চাইছে রাজ্য। নয়া নির্দেশিকায় রাজ্য স্পষ্ট করে দেবে, ইঞ্জিনিয়রদেরও বদলি হতে হবে। এবং সেটা নির্দিষ্ট সময় অন্তর রুটিনমাফিক বদলি।

বহুতল নির্মাণ থেকে নতুন পাইপলাইন— শহরাঞ্চলে সব ক্ষেত্রেই পুরসভার ছাড়পত্র লাগে। আর এর কোনওটাই ইঞ্জিনিয়ারদের বাদ দিয়ে হয় না। যদিও পুর ও নগোরন্নয়ন দফতরের এই নির্দেশিকার কথা শুনে অনেকেই বলছেন, তাহলে পঞ্চায়েত স্তরে কী হবে? সেখানেও তো একই সমস্যা। জেলা পরিষদে যে ইঞ্জিনিয়ররা একবার ঢোকেন, তাঁরা অবসর পর্যন্ত একই জায়গায় থেকে যান। তৃস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থাতেও ইঞ্জিনিয়র-ঠিকাদারদের দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে ভুড়ি ভুড়ি। তাহলে সেখানে কী হবে? এখন দেখার পুর দফতরের এই নির্দেশিকার পর পঞ্চায়েত দফতরও এই পথে হাঁটে কিনা।

পড়ুন দ্য ওয়াল-এর পুজোসংখ্যার বিশেষ লেখা…

You might also like