Latest News

মাছের জালে আটকে মারা যাচ্ছে শয়ে শয়ে পাখি, চাঞ্চল্য ময়নাগুড়িতে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শীতের মরশুম। আর তাই ময়নাগুড়ি ব্লকের দোহমনী, বার্নিশ ও আরও অনেক এলাকায় ক্ষেতে ফলানো হয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফসল। তিস্তা নদীর পাড়ের এইসব ক্ষেতে চাষ করা হয়েছে কড়াইশুঁটি, তিল ও অন্যান্য দানাশস্য। ফসল খেতে রোজই ক্ষেতে এসে বসে শালিখ, চড়াই ও আরও অনেক পাখি। ভিড় জমায় পরিযায়ী পাখিরাও।

মরশুমের ফসল পাখিরা যাতে খেয়ে নষ্ট করতে না পারে সে জন্য চাষের জমি মুড়ে ফেলা হয়েছে মাছ ধরার জাল দিয়ে। আর সেই জালেই আটকা পড়ছে অসংখ্য পাখি। গত কয়েকদিনে মৃত্যুও হয়েছে অনেকগুলি পাখির। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ময়নাগুড়িতে। কেন এ ভাবে চাষের জমি মাছ ধরার জাল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে তাই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন পক্ষী সরংক্ষণ সংগঠন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন পরিবেশকর্মী নন্দু রায়। তিনি জানিয়েছেন, “বেশ কিছু পাখির দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। এই ভাবে যদি পাখি মারা যেতে থাকে তবে এই এলাকায় পাখির সংখ্যা কমে যাবে।“ এই মরশুমে এলাকায় প্রচুর পরিযায়ী পাখি আসে। মাছের জালে আটকে তারাও মারা যেতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা করেছেন ওই পরিবেশকর্মী।

তিনি বলেছেন পরিযায়ী পাখির সংখ্যা কমে গেলে সে ভাবে আর ভিড় জমাবেন না পর্যটকরা। ফলে মন্দার মুখ দেখবে পর্যটন শিল্প। নন্দুবাবু জানিয়েছেন, চাষিদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন। পাখি তাড়ানোর বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এ বিষয়ে বনদফতরকেও জানানো হয়েছে। খবর পেয়েই ডিএফও নিশা গোস্বামী ওই এলাকায় বনদফতররের কর্মীদেরও পাঠিয়েছে বলে খবর। সমস্যা সমাধানে যত দ্রুত সম্ভব উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বনকর্মীরা।

আরও পড়ুন-

https://www.four.suk.1wp.in/2019/01/news-world-woman-spends-72-hours-trapped-in-elevator/

You might also like