Latest News

কানহাইয়া কুমারের সভার আগে উত্তপ্ত টিটাগড়, আটক বহু আরএসএস কর্মী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রনেতা তথা সিপিআইয়ের জাতীয় পরিষদের সদস্য কানহাইয়া কুমারের সভার আগে তুমুল উত্তেজনা টিটাগড়ে। কানহাইয়ের নামে ‘দেশদ্রোহী’ পোস্টারে ভরে যায় ওই এলাকা। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে এই কাজ করেছে আরএসএস ও বিজেপি। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে আটক করা শুরু করে পুলিশ। আরএসএস-এর অভিযোগ, দেশদ্রোহীকে নিরাপত্তা দিতে গিয়ে তাদের নেতা-কর্মীদের আটক করে রেখেছে পুলিশ।

এদিন বিকেলে ব্যারাকপুর মহকুমায় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, এনআরসি ও এনপিয়ারের বিরুদ্ধে একটি সভা রয়েছে। ঐ সভায় প্রধান বক্তা কানহাইয়া। থাকার কথা সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম, লিবারেশনের দীপঙ্কর ভট্টাচার্য ও কংগ্রেস নেতা সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়েরও।

কর্মীদের গ্রেফতারি বিরুদ্ধে এদিন টিটাগড়ে দীর্ঘক্ষণ রাস্তা অবরোধ করে রাখে আরএসএস বিজেপি। পুলিশ গিয়ে পরে অবরোধ তুলে দেয়। সভার আগে এমন পরিস্থিতি হওয়ায় সভার সময়ে কী পরিস্থিতি হবে তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে প্রশাসনের মধ্যেও। জানা গিয়েছে সভাস্থলের বাইরে বিরাট পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করেছে ব্যারাকপুর কমিশনারেট। এসিপি র‍্যাঙ্কের অফিসাররা উপস্থিত রয়েছেন সেখানে। বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ সেখানে পৌঁছনোর কথা বাম ছাত্রনেতার।

যে এলাকায় সভা তার আশপাশের অঞ্চলে বিজেপির ভাল শক্তি রয়েছে বলে খবর। ফলে কানহাইয়া এলে তাঁকে বিক্ষোভ দেখানোর জন্য আগেই জমায়েত ডেকে রেখেছিল গেরুয়া শিবির। এখন প্রশান সেটাকেই রুখতে চাইছে বলে বিজেপির অভিযোগ।

স্থানীয় এক আরএসএস নেতা বলেন, “পাকিস্তান জিন্দাবাদ-হিন্দুস্তান মুর্দাবাদ বলে যে স্লোগান দিয়েছিল, তাকে পুলিশ নিরাপত্তা দিচ্ছে। আর যারা দেশদ্রোহীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে তাদের ধরে ধরে জেলে পুরছে।”

সিপিএম নেতা তথা ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ তড়িৎবরণ তোপদার বলেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ যে জায়গায় পৌঁছেছে তা ওরাও ভাল করে বুঝতে পারছে। তাই আগে থেকে গণ্ডগোল পাকানোর কৌশল নিয়েছিল। প্রশাসন কী করবে জানি না, তবে আমরা ওখানে সভা করবই। কানহাইয়াও বক্তৃতা দেবেন।”

You might also like