Latest News

‘রাজ্যের হাতে অধিক…’, আঞ্চলিক শক্তিই পারে মোদীর দর্প চূর্ণ করতে

অমল সরকার

 

তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওকে আজ দুপুরে লাঞ্চে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। দিন তিনেক আগে যদিও রাওয়ের জন্মদিন গিয়েছে বটে, তবে দু’জনেই জানিয়ে রেখেছেন, খেতে খেতে তাঁরা নরেন্দ্র মোদীকে মোকাবিলার পথ খুঁজবেন।

উদ্ধবের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ সেরে রাও যাবেন এনসিপি সভাপতি শরদ পওয়ারের বাসভবনে। তিনিও বিজেপিকে হটাতে সক্রিয়।

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে রাও এবং উদ্ধবের। স্ট্যালিন তাঁর অল ইন্ডিয়া ফেডারেশন ফর সোশ্যাল জাস্টিসে যোগদানের আর্জি জানিয়ে ওই দুই মুখ্যমন্ত্রী-সহ ৩৭ জন অ-বিজেপি নেতাকে চিঠি দিয়েছেন সম্প্রতি।

স্ট্যালিনের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। দু’জনেই মনে করেন এখন অ-বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীদের সম্মেলন ডাকা জরুরি। দিন কয়েক আগে বাংলার রাজ্যপাল বিধানসভার অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণার সিদ্ধান্তটি টুইট করে রাজনীতি করায় তাঁর কড়া সমালোচনা করেছেন স্ট্যালিন। আসলে বাংলার রাজ্যপালকে নিশানা করে তিনি নিজের রাজ্যের রাজ্যপালকেও সংযত আচরণের বার্তা দিতে চেয়েছেন।

শনিবার দুপুরে ধনকড় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সংঘাতের নতুন রাস্তায় হেঁটেছেন বিধানসভার বাজেট অধিবেশন ডাকা নিয়ে সরকারি ফাইলটি নবান্নে ফেরত পাঠিয়ে দিয়ে। একই সময়ে তিরুবনন্তপুরমের রাজভবনে বসে কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ সাংবাদিকদের ডেকে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে চরম পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অভিযোগ, বর্তমান রাজ্যপালকে ফিরিয়ে নিতে তাঁর আর্জিতে প্রধানমন্ত্রী কর্ণপাত করছেন না। তাঁর মতামত ছাড়াই ধনকড়কে বাংলায় পাঠানো হয়। যদিও সারকারিয়া কমিশনের অন্যতম সুপারিশ ছিল, রাজ্যপাল নিয়োগের আগে কেন্দ্রীয় সরকার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবে।

প্রায় চার দশক আগে যে পরিস্থিতিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বিচারপতি রঞ্জিৎ সিং সারকারিয়ার নেতৃত্বাধীন কমিশনকে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কের নানা দিক খতিয়ে দেখতে নিয়োগ করেছিলেন, আজকের পরিস্থিতির সঙ্গে তার বেশ মিল আছে। প্রথমে ফারুক আবদুল্লার ডাকে শ্রীনগরে, তারপর জ্যোতি বসুর আহ্বানে কলকাতায় এবং রামকৃষ্ণ হেগড়ের আমন্ত্রণে বেঙ্গালুরুতে বসে অ-কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রীদের সম্মেলন। নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহদের পার্টি তখন সদ্যোজাত।

ইন্দিরা গান্ধী বুঝতে পেরেছিলেন, জনতা পার্টির দুর্বলতার কারণে তিনি দিল্লির মসনদ ফিরে পেলেও রাজ্যে রাজ্যে কংগ্রেস জমি খোয়াচ্ছে। অ-কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রীদের উপেক্ষা করে গেলে ‘অতি দর্পে হতা লঙ্কা’ অবস্যম্ভাবী।

নরেন্দ্র মোদী ২০১৯-এ বিজেপির একক শক্তিতে ক্ষমতায় ফিরিয়ে প্রধানমন্ত্রিত্বের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছেন। কিন্তু রাজ্যে রাজ্যে তাঁর পার্টির কী দশা! গত বছর বাংলার বিধানসভার নির্বাচনটি ছিল তাঁর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াই। একটি আঞ্চলিক শক্তির কাছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পার্টি বিজেপি মুখ থুবড়ে পড়ে। তাতে মোদীর মুখেও কি চুনকালি পড়েনি?

লক্ষ্যণীয়, লোকসভা ভোটে তিনি বিপুল জয় হাসিল করলেও, ঠিক আগের বছর থেকে রাজ্যে রাজ্যে জমি খোয়াতে শুরু করে বিজেপি। ২০১৮-র গোড়ায় দেশে ২১টি রাজ্যে তাঁর পার্টি ক্ষমতায় ছিল। যে রাজ্যগুলির বাসিন্দা দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ। এখন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ক্ষমতায় আছে ১৭টি রাজ্যে, যেগুলিতে বাস করে দেশের ৪৯ শতাংশ নাগরিক।

একটি সর্ব-ভারতীয় ম্যাগাজিন বছরের গোড়ায় তাদের সমীক্ষায় জানিয়েছে, মোদীর জনপ্রিয়তা নিয়ে স্বস্তি ছাপিয়ে বিজেপির দুশ্চিন্তার কারণ দল শাসিত রাজ্য সরকারগুলির ব্যর্থতা। সমীক্ষায় কাজের বিচারে মুখ্যমন্ত্রীদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে গড় নম্বরে পাশ মার্ক ছিল ৪৯।

তার থেকে বেশি নম্বর পাওয়া ন’জন মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে বিজেপির ছিলেন মাত্র একজন, অসমের হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর জোটে সপ্তম স্থান। অষ্টম ও নবম স্থানে ছিলেন দুই কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী ভুপেশ বঘেল এবং অশোক গেহলট। এক থেকে ছয় নম্বরে থাকা মুখ্যমন্ত্রীরা সকলেই আঞ্চলিক দলের। একে নবীন পট্টনায়েক, দুইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাকিরা, এমকে স্ট্যালিন, পিনারাই বিজয়ন, উদ্ধব ঠাকরে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

অনেকের ধারণা, মোদী ২০২৪-এও জনপ্রিয়তায় ভর করে ফের বাজিমাৎ করবেন। জনপ্রিয়তার নিরিখে তাঁর সঙ্গে রাহুল গান্ধীর ব্যবধান এখন ৪৬ শতাংশের। অর্থাৎ আজকের দিনে রাহুলকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চায় মাত্র সাত শতাংশ নাগরিক। মোদীকে চান ৫৩ শতাংশ জনগন।

জনপ্রিয়তার মানদণ্ডে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তুলনা টানলে মনে হওয়া স্বাভাবিত মোদী অপ্রতিরোধ্য। তবে মনে রাখা দরকার, ভোটের ময়দানে জনপ্রিয়তার মেয়াদবিহীন নয়। ইন্দিরা গান্ধীর ইমার্জেন্সির আগের দিনগুলির কথা স্মরণ করা যাক। রাজন‍্য ভাতা বিলোপ আইন সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দিলে ‘গরিবি হটাও’-এর ডাক দিয়ে তিনি তখন আম-আদমির নয়নের মণি৷ তার উপর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ায় অটলবিহারী বাজপেয়ীর মতো মানুষ সংসদে দাঁড়িয়ে তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ৷ কংগ্রেসিদের চোখে তিনি এশিয়ার মুক্তিসূর্য। তখন ‘ইন্দিরা ইজ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়া ইজ ইন্দিরা’—অনেকেই স্রেফ এই উক্তির জন‍্যই অসমের কংগ্রেস নেতা তথা দলীয় সভাপতি দেবকান্ত বড়ুয়াকে মনে রেখেছেন৷

সেই প্রিয়দর্শিনী ইন্দিরার বিরুদ্ধে মানুষ এতটাই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠল যে জয়প্রকাশ নারায়ণের ডাকে বাম-ডান-অতি ডান, সব হাত এক হয়ে গেল৷ বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে শেষ পর্যন্ত জরুরি অবস্থা জারির মতো কঠোর কিন্তু অসহায় সিদ্ধান্ত নিতে বাধ‍্য হলেন নেহরু কন‍্যা৷

রাজনীতির এই উত্থান-পতনও এক প্রকার হাওয়া৷ যা ঠিকঠাক চালিত করতে পারলে ক্ষমতার এভারেস্টে পোঁছে যাওয়া যেমন অসম্ভব নয়, উল্টোটা হলে সমুদ্রে নিক্ষেপিত হওয়া সময়ের অপেক্ষা৷ ইন্দিরা গান্ধীকে বিজেপির মোকাবিলা করতে হয়নি। জনতা পার্টিও ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল। কেন্দ্র-রাজ্য সুসম্পর্ক নিয়ে তাঁকে ভাবতে বাধ্য করেছিল একাধিক আঞ্চলিক শক্তি।

নরেন্দ্র মোদী কথায় কথায় নেহরুর ভারতের সঙ্গে তুলনা টানেন। ইন্দিরার প্রসঙ্গ আনেন কম। হয়তো তিনিও বোঝেন গণতন্ত্র, রাজনৈতিক অধিকার, মানবাধিকার, সর্বোপরি কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক নিয়ে ইন্দিরা সময়ের তুলনা টেনে কৃতিত্ব দাবি করার মতো দৃষ্টান্ত তাঁর ঝুলিতে নেই। রাজ্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ শুধু নয়, রাজ্যে রাজ্যে এখন অঘোষিত কেন্দ্রীয় শাসন চলছে।

বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিল সন্ত্রাস। প্রতিবাদে রাজ্যের পুলিশের নিরাপত্তা নেননি। ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বুলেট প্রুফ গাড়িটিও। তবু কেন্দ্রের কংগ্রেস বা অটলবিহারী বাজপেয়ির বিজেপি সরকার কখনও তাঁর নিরাপত্তায় সিআইএসএফ মোতায়েন করেনি। নির্লজ্জের মতো তা চাননি তিনিও। অন্যদিকে, মোদী সরকার রাজ্যে রাজ্যে বিজেপি নেতাদের শোভা বর্ধন করেছে আধা সেনাকে ছায়াসঙ্গী করে। কার সঙ্গে ক’জন আধাসেনা, সেই বিচারে নেতার দর বাড়ে কমে।

সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখাদেখি প্রায় সব অ-বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী মোদী সরকারের বিরুদ্ধে আইএএস-আইপিএস অফিসারদের উপর কেন্দ্রীয় সরকারের এককরফা নিয়ন্ত্রণ কায়েমের চেষ্টার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে। ৫০-৫৫ বছর আগেও বাংলার তৎকালীন যুক্তফ্রন্ট সরকার সর্ব ভারতীয় অফিসারদের দিয়ে মাতব্বরি বন্ধ করতে অল ইন্ডিয়া ক্যাডার তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে দিল্লিতে চিঠি পাঠিয়েছিল। রাজ্যের অনুমতি ছাড়া আধাসেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানানোর পাশাপাশি কাশীপুর গান অ্যান্ড শেল ফ্যাক্টরির ধর্মঘট ভাঙতে পুলিশ পাঠাতে দিল্লির নির্দেশ অগ্রাহ্য করেছিল তারা।

আসলে সংবিধানে এমন কোনও সংস্থান নেই যা দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে কোনও সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য করাতে পারে। ৩৫৬ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়াও এখন আর সহজ কথা নয়। মোদী সরকার তাই গোয়েন্দা এজেন্সি আর রাজ্যপালদের পেয়াদা বানিয়ে নিয়েছে।

বিএসএফের নজরদারির এলাকা বৃদ্ধি এবং তিন কৃষি বিলও সংবিধানে উল্লেখিত রাজ্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ। আয়ুষ্মান ভারতের মতো নিজেদের পছন্দমতো প্রকল্প রাজ্যগুলির উপর চাপিয়ে দিচ্ছে। ঘোষণার আগে মতামত নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করে না। রাজস্ব আদায়, কর চাপানো, সারচার্জ বসানো এবং বাজার থেকে যত খুশি ঋণ নেওয়ার ক্ষমতা কেন্দ্রের হাতে কুক্ষিগত। অথচ, রাজ্যগুলির দিল্লির অনুমতি ছাড়া এক পা-ও এগোনোর উপায় নেই।

এই পরিস্থিতির বদল ঘটাতে সবচেয়ে আগে জরুরি আঞ্চলিক দল তথা শক্তির কনফেডারেশন। খাবার টেবিলের বিক্ষিপ্ত আলোচনা অর্থহীন। রাজ্যগুলির ইস্যু অভিন্ন। লোকসভা ভোটের এখনও বছর দুই বাকি। আশু কাজ হল, আঞ্চলিক দলগুলির কনফেডারেশন গড়ে অভিন্ন ইস্যুতে কেন্দ্রের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করা এবং নানা ইস্যুতে দর কষাকষি চালিয়ে যাওয়া। সেখান থেকেই নিজের নিজের রাজনৈতিক অবস্থান অটুট রেখে জন্ম নিতে পারে নতুন জোটও। ভোটের পর সেই জোট সরকার গড়ার সুযোগ না পেলেও সমর্থন দেওয়ার বিনিময়ে শর্ত আরোপ করতে পারবে তারা।

মনে রাখতে হবে, দেবগৌড়া, আইকে গুজরালদের সংযুক্ত মোর্চা সরকারের শরিক ছিল ২২টি ছোট ছোট দল তথা আঞ্চলিক শক্তি। সিপিএম সেই সরকারে যোগ না দিলেও বেশ কিছু দিন মোর্চার আহ্বায়ক ছিলেন জ্যোতি বসু। তারপর হন চন্দ্রবাবু নাইডু। আর বাজপেয়ীর বিজেপি সরকারের শরিক ছিল ২৭টি পার্টি। তাতে দেশ কিন্তু লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়নি।

কংগ্রেসের কথাও খানিক বলা যাক। নরেন্দ্র মোদীর অপকর্মের অনেকগুলিই সনিয়া গান্ধীর পার্টির জেরক্স কপি। বিএসএফের নজরদারির এলাকা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংসদে প্রস্তাব এনেছিল কংগ্রেসের নেতত্বাধীন ইউপিএ সরকার। পদে পদে হেনস্থার অভিযোগ ওঠা গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ তৈরি হয় ইউপিএ জমানাতেই।

আর আগে দিল্লির কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধেই ‘রাজ্যের হাতে অধিক ক্ষমতা চাই’—স্লোগান মুখে নিয়ে জ্যোতি বসুর বামফ্রন্ট সরকার এবং বামপন্থীদের দীর্ঘ লড়াই কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কের ইতিহাসে একটি অধ্যায়। চলতি পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক ছুতমার্গ ঝেড়ে ফেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অবিজেপি মুখ্যমন্ত্রীদের উচিত পূর্বসূরির ওই স্লোগানটিকে সামনে রেখে এগোনো। সেই সঙ্গে মোদী তথা বিজেপির বিরোধিতায় আন্তরিক, সৎ প্রচেষ্টা দৃষ্টান্তও তুলে ধরতে হবে। কারণ, অনেক আঞ্চলিক শক্তি যেমন বিজেপি বিরোধী জোটে আছে, আবার মনে প্রাণে চায় দিল্লিতে মোদী থাকলে রাজ্যে সংখ্যালঘুরা বিজেপির ভয়ে তাদের টিকিয়ে রাখবে। শেষ করার আগে সিপিএম ও তৃণমূলের কাছে মার্জনা চেয়ে নিচ্ছি এই নিবন্ধে তাদের আঞ্চলিক দল বলে গন্য করায়।

You might also like