Latest News

হোটেল, রেস্তোরাঁয় মদ বিক্রির ক্ষেত্রে নয়া নির্দেশিকা রাজস্থান সরকারের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই বন্ধ ছিল মদের বিক্রি। কিন্তু লকডাউনের তৃতীয় পর্যায়ের পর থেকে এই মদ বিক্রির ক্ষেত্রে অনেকটা শিথিলতা আনে কেন্দ্র। কিছু নিয়ম মেনে শুরু হয় মদ বিক্রি। প্রথমে দোকান থেকে এই মদ বিক্রি শুরু হলেও পরে বেশ কিছু নিয়ম মেনে হোটেল ও রেস্তোরাঁতে তা বিক্রি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আর এই মদ বিক্রির ক্ষেত্রে নতুন কিছু নির্দেশিকা নিয়ে এসেছে রাজস্থান সরকার।

মঙ্গলবার রাজস্থানের আবগারি দফতরের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়। একসাইজ কমিশনার বিষ্ণু চরণ মালিক প্রতিটি রেস্তোরাঁ ও হোটেলের মালিককে জানিয়েছেন, সব জায়গায় সামাজিক দূরত্বের নিয়ম মেনে চলতে হবে। কোথাও সামাজিক দূরত্ব মানা না হলে সেই হোটেল ও রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এই নির্দেশিকায় আরও কিছু নিয়ম মানার কথা বলা হয়েছে। গাইডলাইন মেনে প্রতিটি হোটেল ও রেস্তোরাঁতে বার কাউন্টার, চেয়ার ও টুল স্যানিটাইজ করতে হবে। দিনে একাধিকবার তা করতে হবে। এছাড়া মদ, বিয়ারের যে বোতল রাখা থাকবে সেগুলিও স্যানিটাইজ করে রাখতে হবে। যেসব কর্মী সেখানে কাজ করবেন, তাঁদের প্রত্যেককে মাস্ক ও গ্লাভস পরে কাজ করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

এই গাইডলাইনে আরও জানানো হয়েছে, বরফের পাত্র এবং যে ট্রলিতে করে খাবার দেওয়া হবে, তাও যেন ভাল করে স্যানিটাইজ করা হয়। সব নিয়ম মানা হচ্ছে কিনা, সেই সংক্রান্ত তথ্য প্রতি সপ্তাহে সরকারের কাছে জানাতে হবে। এই পুরো বিষয়টি দেখভাল করার জন্য বেশ কিছু আধিকারিক মোতায়েন করেছে রাজস্থান সরকার। তাঁরাই সব দিকে নজর রাখবেন।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, রাজস্থানে এই মুহূর্তে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫,২৩২। মৃত্যু হয়েছে ৩৫৬ জনের। ইতিমধ্যেই অবশ্য সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১,৯১০ জন। অর্থাৎ এই মুহূর্তে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২৯৬৬।

কেন্দ্রের তরফে মদের দোকান খোলার নির্দেশ দেওয়ার পরেই অবশ্য এক অন্য ছবি দেখেছিল গোটা দেশ। সংক্রমণের তোয়াক্কা না করে, কেন্দ্রের নির্দেশিকা না মেনে মদের দোকানের সামনে ভিড় জমিয়েছিল সাধারণ মানুষ। অনেক জায়গায় তো বাজি ফাটিয়ে মদের দোকান খোলার উৎসব করেন অনেকে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় অনেক জায়গায় পুলিশকে লাঠিচার্জও করতে হয়। দিল্লি ও মুম্বইতে বাধ্য হয়ে দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। কড়া নজরদারিতে চালু হয় এই পরিষেবা। অনেক রাজ্য অবশ্য বাড়িতে বসেই অনলাইনে মদের ডেলিভারির ব্যবস্থা করে।

You might also like