Latest News

পুরনো কথার চর্বিত চর্বন, বাজেট নিয়ে তোপ রাহুলের

টুইট করে রাহুল আরও বলেন, “বেকারত্ব, কর্মসংস্থান নিয়ে একটিও কথা বলা হয়নি। মূল সমস্যাগুলিকেই এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।”

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাজেট বক্তৃতা শেষ হওয়ার পর সংসদ থেকে বেরনোর সময়েই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তোপ দাগলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এদিন ওয়ানাড়ের সাংসদ বলেন, “ইতিহাসের দীর্ঘতম বাজেট বক্তৃতা হয়েছে কিন্তু অন্তঃসারশূন্য।”

এখানেই থামেননি রাহুল। তিনি বলেন, “পুরনো কথার চর্বিত চর্বন করা হয়েছে বাজেটে। দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা থেকে পরিত্রাণের কোনও কৌশল বাজেটে আমি দেখতে পেলাম না। কেন্দ্রীয় ভাবে যে নীতি ঘোষণার উচিত ছিল তা হয়নি। দেশের মানুষ হতাশ।”

টুইট করে রাহুল আরও বলেন, “বেকারত্ব, কর্মসংস্থান নিয়ে একটিও কথা বলা হয়নি। মূল সমস্যাগুলিকেই এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।” বাজেটের দুদিন আগে থেকেই জিডিপি, বিনিয়োগ ইত্যাদি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্দেশ করে টুইটে আক্রমণ শানাতে শুরু করেছিলেন রাহুল। এদিনে সেটাকেই আরও তীব্র করেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি।

লোকসভা ভোটের প্রচারেও যেখানেই রাহুল গিয়েছেন, সেখানেই আর্থিক দূরবস্থা, বেকারত্ব নিয়ে নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন। কিন্তু উনিশের ভোটে সে সব কাজ দেয়নি। ৩০০-র বেশি আসন নিয়ে দ্বিতীয়বার সরকার গড়েছেন মোদী। কিন্তু রাহুল এদিনও মৌলিক সমস্যাগুলিকেই রাজনৈতিক আক্রমণের হাতিয়ার করলেন।

রাহুল গান্ধী এদিন সংসদ থেকে বেরোনর সময় বলেন, গত কয়েকটি বাজেটেই আমরা শুনছি কৃষকদের আয় নাকি দ্বিগুণ হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে তার বিপরীত হচ্ছে। কৃষকরা ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে আত্মহত্যা করছেন। অথচ দেখা যাচ্ছে বাজারে জিনিসের আকাশছোঁয়া দাম! এই বাজেটেও বলা হল কৃষকের আয় দ্বিগুণ হবে। কিন্তু কবে হবে কেউ জানেন না।”

যদিও এদিনের বাজেট বক্তৃতার একটা বড় অংশ কৃষিক্ষেত্রে ঘোষণার জন্য ব্যয় করেন নির্মলা সীতারমন। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ১৬ দফা অ্যাকশন প্ল্যানের কথাও শোনান অর্থমন্ত্রী।

You might also like