Latest News

নজর উনিশে, লাল কেল্লা থেকে আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য বিমার ঘোষণা মোদীর

দ্য ওয়াল ব্যুরোসংসদে গত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের ঘোষণা আগেই করেছেন। বুধবার ৭২ তম স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লার মঞ্চ থেকে বক্তৃতায় সেই প্রকল্পের বাস্তবায়নের দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানিয়ে দিলেন, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মতিথিতে গোটা দেশে একই সঙ্গে শুরু হয়ে যাবে প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য অভিযান (আয়ুষ্মান ভারত) যোজনা।

তাঁর কথায়, “দেশের গরিব ও আর্থিক ভাবে অনগ্রসর মানুষের জন্য তাদের সাধ্যের মধ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা সুনিশ্চিত করার সময় আসন্ন। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প দেশের দশ কোটি পরিবারের পঞ্চাশ কোটি মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবা দিতে সাহায্য করবে।”

প্রসঙ্গত, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি পরিবার ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিমার সুবিধা পাওয়ার কথা। দেশের ২৩টি রাজ্য ইতিমধ্যে কেন্দ্র সরকারকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সম্মতি দিয়েছে।

উনিশের ভোটের আগে লাল কেল্লা থেকে এটাই ছিল নরেন্দ্র মোদীর শেষ বক্তৃতা। আগামী বছর লালকেল্লার বুলেট প্রুফ কাঁচে ঘেরা মঞ্চে তিনি ফের উঠতে পারবেন কিনা, তা স্থির করবে উনিশের লোকসভা ভোটের ফলাফল। স্বাভাবিক ভাবেই তাই জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর এ দিনের বক্তৃতায় নজর দুটি বিষয়ে। এক, তাঁর সরকারের গত সাড়ে চার বছরের সাফল্য আরও একবার দেশের মানুষকে মনে করিয়ে দেওয়া। সেই সঙ্গে স্বাভিমান ও জাতীয়তাবোধকে উস্কে দেওয়া। এবং দুই, কেন্দ্রে এর আগে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের সঙ্গে বর্তমান সরকারের ফারাক তুলে ধরা।


এবং তা করতে গিয়ে এক সময় ২০২২ সালের মহাকাশ প্রকল্প- ‘মিশন গগনযান’ও ঘোষণা করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। লালকেল্লার বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশবাসীকে একটা সুখবর দিতে চাই। ভারত ইতিমধ্যে মহাকাশ গবেষণায় অনেক উন্নতি করেছে। ২০২২ সালে দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি হবে। তখন বা তার আগে আমাদের কোনও ছেলে বা মেয়ে মহাকাশে যাবে, আর সেখানেই তিরঙ্গা পতাকা ওড়াবে।”

এরই পাশাপাশি ওবিসি কমিশন গঠনের জন্য সংসদে বিল পাশ, মহিলা ও সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে কেন্দ্রে পূর্বতন ইউপিএ সরকারকে খোঁচা দিয়ে বলেন, পাঁচ বছর আগে দেশে পরিচ্ছনতা প্রকল্প বা গ্রামীণ বৈদ্যুতিকরণ প্রকল্পের যে গতি ছিল, সেই গতিতেই চললে প্রকল্প শেষ হতে কয়েক দশক কেটে যেত। কিন্তু ইতিবাচক যে বর্তমান সরকার এরই মধ্যে সেই লক্ষ্যপূরণে সফল হয়েছে।

You might also like