Latest News

কোয়েম্বাটোরে উদ্ধার ১২ বছরের হাতির দেহ, চোট রয়েছে মুখে, জানালেন বনকর্মীরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরে উদ্ধার হয়েছে একটু ১২ বছরের হাতির দেহ। বনদফতরের জানানো হয়েছে কয়েকদিন ধরেই ভুগছিল হাতিটি। মুখের ভিতর চোট-আঘাত পেয়েছিল সে। হাতিটির মুখের ভিতর ঘা হয়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন বনকর্মীরা। তার চিকিৎসাও শুরু হয়েছিল। তবে চিকিৎসায় সেভাবে সাড়া দিচ্ছিল না হাতিটি। শেষ পর্যন্ত সোমবার সকালে মারা যায় হাতিটি। সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, কোয়েম্বাটোরের প্রান্তে জাম্বুকান্দি গ্রামের কাছাকাছি এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে হাতির দেহ। কী ভাবে হাতিটি মুখে চোট পেল তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত। বনকর্মীরা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে হাতিটির দেহ।

 

এর আগে কেরলেও অনেকটা একইরকম ভাবে মৃত্যু হয়েছিল অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনীর। বাজিতে ঠাসা ফল খাইয়ে দেওয়া হয়েছিল ওই হস্তিনীকে। মুখের ভিতর বারুদে ভর্তি ফল ফেটে যাওয়ায় মারাত্মক চোট পায় ওই হস্তিনী। মুখের ভিতর ঘা হয়ে যায় তার। অসহ্য জ্বালা-যন্ত্রণায় নদীতে শুঁড় ডুবিয়ে থাকে হস্তিনী। আর সেই অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তার। গর্ভেই মারা যায় তার সন্তান।

এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় পরে যায় দেশজুড়ে। তখনই জানা যায়, এর আগেও নাকি কেরলে মুখে চোট পাওয়ায় ঘা হয়ে গিয়েও মৃত্যু হয়েছিল এক হাতির। অনুমান করা হচ্ছিল হয়তো ওই হাতিও বাজি ঠাসা ফল খেয়েছিল।

কেরলের হাতির মৃত্যুতে প্রকাশ্যে এসেছে ভয়ঙ্কর সব তথ্য। প্রাথমিক ভাবে শোনা যায়, খেতের ফসল যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য বুনো শুয়োর তাড়াতে নাকি বাজি ঠাসা ফল রাখা হয়। অনুমান করা হয় সম্ভবত এই অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনী সেটাই খেয়ে ফেলেছিল। প্রথমে বলা বাজি ঠাসা আনারস খেয়েছিল হাতিটি। তারপর বলা হয় আনারসের বদলে হস্তিনীর পেটে গিয়েছিল নারকেল। ভুল করে অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনী ওই বাজি ভর্তি ফল খেয়েছিল বলেও মন্তব্য করা হয়। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

কেরলের পাশাপাশি হাতি মৃত্যুর ঘটনায় উঠে এসেছে ছত্তীসগড়ের নাম। এই রাজ্যের বন দফতরের হিসেব বলছে টানা ৯দিনে মোট ৬টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে গর্ভবতী হাতিও আছে, আবার পুরুষ ও বাচ্চাও আছে। কয়েকটি মৃত্যুর কারণ অনুমান করা গেলেও বাকিগুলো নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।

বনকর্তারা বলছেন, দলছুট হাতি দিক ভুল করে লোকালয় চলে আসে। তখন মানুষের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি বোঝাপড়া হয়। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, জনবসতি এলাকায় ঢুকে পড়া হাতিকে আঘাত করা হয়েছে। তাছাড়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে হাতি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। চোরাশিকার তো আছেই। তবে ছত্তীসগড়ে টানা ৯দিনে যেভাবে হাতির মৃত্যু হয়েই চলেছে তাতে চিন্তা বেড়েছে প্রশাসনের। বনকর্তাদেরই বক্তব্য, এই মৃত্যুগুলোর কারণ স্বাভাবিক নয়। কেন্দ্রীয় বন্যপ্রাণ অপরাধ দমন শাখাকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে।

You might also like