Latest News

রাজ্যে হবে কলকাতার থেকেও বড় বিমানবন্দর, জমির খোঁজে বৈঠক চলছে ভাঙড় বিডিও অফিসে

রফিকুল জামাদার

রাজ্যে হবে আরও একটি বিমানবন্দর। চতুর্থ বিমানবন্দরটি হবে রাজ্যের বর্তমানে বৃহত্তম বিমানবন্দর নেতাজি সুভাষ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থেকেও বড়। মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনকে চতুর্থ বিমানবন্দরের জন্য জমি খোঁজার নির্দেশ দেন। আজ শুক্রবারই তা নিয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে জেলা প্রশাসন। এই মূহূর্তে ভাঙর-দুই বিডিও-র অফিসে জেলা প্রশাসন এবং পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের বৈঠক চলছে জমির সন্ধান করতে।

নবান্ন চাইছে চতুর্থ বিমানবন্দরটিও কলকাতার কাছাকাছি কোথাও হোক। যাতে রাজধানী শহরের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাতায়াত সহজ হয়। যেহেতু সেটি কলকাতার বর্তমান বিমানবন্দরের থেকেও বড় হবে, তাই অনেক বেশি ফাঁকা জায়গা প্রয়োজন। তাছাড়া শুধু বিমানবন্দরের জন্য জমি পেলেই চলবে না। আশপাশেও অনেক ফাঁকা জমি দরকার। কারণ বিমানবন্দরকে ঘিরে গড়ে ওঠে নতুন শহর। প্রাথমিকভাবে জেলা প্রশাসন মনে করছে, কলকাতার কাছাকাছি ফাঁকা জমি ভাঙড়েই পাওয়া যেতে পারে।

কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটির বছর কয়েক আগে আধুনিকীকরণ করা হলেও সেটি থেকে যথেষ্ট সংখ্যক বিমান চলাচল করে না। রাজ্য সরকার অনেক চেষ্টা করেও আন্তর্জাতিক অনেক বিমান সংস্থাকে রাজি করাতে পারেনি। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, বিশ্বায়নের যুগে শিল্পায়নের পরিকাঠামোর এখন গোড়ার কথা আধুনিক বিমানবন্দর। কলকাতার বর্তমান বিমানবন্দরটিতে সর্বাধুনিক সুবিধার অভাব আছে। তাই দরকার সর্বাধুনিক বড় বিমানবন্দর। এপ্রিলে রাজ্যের মেগা শিল্প সম্মেলন বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটে নতুন বিমানবন্দর নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন সূত্রে খবর প্রাথমিক ভাবে সাড়ে সাত হাজার একর জমি চিহ্নিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এও জানা গিয়েছে, শিগগির দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা প্রশাসন নবান্নকে একটি রিভিউ রিপোর্ট জমা দেবে। এ ব্যাপারে এদিন ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, “আমরাও আজকে জানলাম এখানে বিমানবন্দরের জন্য জমি নেওয়া হবে। কিন্তু এখানে এত ফাঁকা জমি কই?”

You might also like