Latest News

বজবজে ব্যাংককের পুজো হচ্ছে, কোভিডবিধির জেরে স্ক্রিনেই অঞ্জলি, সন্ধ্যারতি প্রবাসীদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্যাংককের পুজো (Puja), কিন্তু মন্ত্রোচ্চারণ হচ্ছে বজবজে। ব্যাংককের বাঙালিদের অঞ্জলি, ফুল পড়ছে বজবজের দুর্গার পায়ে। এবার পুজোয় এমনি অভিনব ছবি দেখা গেল বাংলায়। ব্যাংককের পুজো হল বজবজে।

থাইল্যান্ডের এক বাঙালি সংগঠন হল ‘ভারতী বাঙালি অ্যাসোসিয়েশন’। গত ২৮ বছর ধরে তারা প্রতিবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করে নিজেদের মতো করে। পুজোয় অংশগ্রহণকারী ব্যাংকক-বাসী বাঙালির সংখ্যাও কম নয়। কিন্তু এবার বাধ সেধেছে করোনা। সে দেশে যা কোভিডবিধি জারি হয়েছে তাতে পাঁচ দিন ধরে পুজোর আয়োজন করা কার্যত অসম্ভব। তাই বিকল্প পন্থা বেছে নিয়েছেন থাইল্যান্ডের বাঙালিরা।

পুজোয় মাস্কহীন তরুণ সমাজ, রাস্তায় ঘুরে ঘুরে সচেতনতার পাঠ দিচ্ছেন যাদবপুরের পড়ুয়ারা

কী করেছেন তাঁরা? ‘ভারতী বাঙালি অ্যাসোসিয়েশন’-এর প্রেসিডেন্ট সৌভিক রায় জানিয়েছেন, এবার পুজো করতে পারব না দেখে বজবজের এক পুরোহিতের সঙ্গে যোগাযোগ করি আমরা। তাঁকে রাজি করাই পুজো করতে।

সেই পুজোতেই অনলাইনে অংশ নিচ্ছেন ব্যাংককের বাঙালিরা। ডিজিটাল মাধ্যমে নিচ্ছেন পুজোর স্বাদ। অনলাইনে অষ্টমীর অঞ্জলি থেকে শুরু করে সন্ধ্যারতি, সবটাই উপভোগ করবেন তাঁরা।

ব্যাংককের বাঙালিদের কাছে ‘ভারতী বাঙালি অ্যাসোসিয়েশন’।-এর তরফে ইমেল মারফত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে পুজোর যাবতীয় সূচি। তাতে বলা আছে নির্দিষ্ট সময়েই পুষ্পাঞ্জলি, সন্ধ্যারতি, সন্ধিপুজো হবে। সময় পেরিয়ে গেলে আর তা রিপিট করা হবে না।

বজবজের যে পুরোহিত এই পুজো করছেন তাঁর নাম মৃণ্ময় ভট্টাচার্য। কোভিডের আগে বেশ কয়েকবার তিনি ব্যাংককে গিয়েওছিলেন। ‘ভারতী বাঙালি অ্যাসোসিয়েশন’-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ষাটের বেশি পরিবার। ১৯৯৩ সালে এই সংগঠন তৈরি হয়েছিল। তার পর থেকে প্রতি বছর নিয়ম করে পুজো হয় সেখানে।

গত বছর কোভিডের বাড়বাড়ন্তের মধ্যেও ‘ভারতী বাঙালি অ্যাসোসিয়েশন’-এর পুজো হয়েছিল। তবে সেবার মা দুর্গার কোনও প্রতিমা তাঁরা জোগাড় করতে পারেননি। দুর্গা ঠাকুরের ছবি সামনে রেখেই পুজো হয়েছিল। এবার সবটাই অনলাইনে।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like