Latest News

‘কোনও স্বার্থান্বেষী প্রচার ভারতের ঐক্য ভাঙতে পারবে না’, রিহানা প্রসঙ্গে টুইট অমিত শাহের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে পপ তারকা রিহানার টুইট ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কেন্দ্রের তরফে এই ঘটনার নিন্দা করা হয়েছে। রিহানার করা একটি ছ’শব্দের টুইটকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন তৈরি করার পদ্ধতি হিসেবেই এবার উল্লেখ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, স্বার্থান্বেষী প্রচার করে ভারতের ঐক্য কেউ ভাঙতে পারবে না। ভারতবাসী ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন।

ভারতের ঐক্য ভাঙার জন্য একটা প্রচার চালানো হচ্ছে বলে আগেই মন্তব্য করেছেন বেশ কিছু বিজেপি নেতা। একই কথা শোনা গিয়েছে অনেক বলিউড তারকা থেকে শুরু করে শচীন তেণ্ডুলকরের মতো ক্রিকেট তারকার মুখেও। এবার টুইট করলেন শাহ। তিনি বলেন, “কোনও স্বার্থান্বেষী প্রচার ভারতের ঐক্য ভাঙতে পারবে না। কোনও স্বার্থান্বেষী প্রচার ভারতকে নতুন উচ্চতায় যাওয়া থেকে আটকাতে পারবে না। কোনও স্বার্থান্বেষী প্রচার ভারতের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারবে না, শুধুমাত্র উন্নয়ন পারবে। ভারত ঐক্যবদ্ধভাবে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে।”

গত মঙ্গলবার পপ তারকা রিহানা টুইট করে বলেন, “আমরা কেন এই বিষয়ে কথা বলছি না?” অনেকটা একই ভঙ্গিতে টুইট করতে দেখা যায় জলবায়ু নিয়ে আন্দোলনকারী কিশোরী গ্রেটা থুনবার্গ ও পর্ন তারকা মিয়া খলিফা। এদিন রিহানা ও মিয়া খলিফাকে দেশদ্রোহী বলে মন্তব্য করেন বিজেপির অন্যতম মুখপাত্র সম্বিত পাত্র।

তবে শুধু রাজনৈতিক মহল নয়, রিহানার এই টুইটের প্রতিবাদ শোনা গিয়েছে অন্যান্য ক্ষেত্র থেকেও। প্রথমেই টুইটে তাঁকে আক্রমণ করেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। আরও একাধিক বলি তারকা, যেমন অক্ষয় কুমার, সুনীল শেট্টি, অজয় দেবগণ থেকে শুরু করে পরিচালক-প্রযোজক করণ জোহরও এই টুইটের প্রতিবাদ করেন। এমনকী টুইট করে রিহানার মন্তব্যের সমালোচনা করতে দেখা যায় মাস্টার ব্লাস্টার শচীন তেণ্ডুলকরকে। তিনি বলেন, “ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনও আপস নয়। বাইরের শক্তি দর্শক হতে পারে কিন্তু তাদের নাক গলানোর অধিকার নেই। ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে ভারতীয়রাই সিদ্ধান্ত নেবে। এ ব্যাপারে গোটা দেশ ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

এদিনের ঘটনা নিয়ে বিদেশ মন্ত্রকও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সাউথ ব্লকের তরফে বলা হয়েছে, দেশের কৃষকদের একটা ক্ষুদ্র অংশ এই আন্দোলন করছে। এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করার আগে সমগ্র তথ্য খতিয়ে দেখা উচিত। বিশেষ করে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে অবহিত না থেকে সোশাল মিডিয়ায় হ্যাশট্যাগ দিয়ে স্রেফ সেনসেশন তৈরি করা দায়িত্বশীল কাজ নয়। সরকারের ওই বিবৃতিতেই ‘ইন্ডিয়া টুগেদার’ এবং ‘ইন্ডিয়া এগেইনস্ট প্রোপাগান্ডা’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হয়। সেটাই সেলিব্রিটি, মন্ত্রীসহ হাজার মানুষ এখন ফলো করতে শুরু করেছেন।

You might also like