Latest News

সাধারণ মানুষের গাড়ি নেই, পেট্রোলের দাম বাড়লে কী অসুবিধা? প্রশ্ন বিহারের মন্ত্রীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশজুড়ে বেড়েই চলেছে পেট্রোল ডিজেলের দাম। ফলে মাথায় হাত মধ্যবিত্তের। বিরোধীরা প্রতিবাদ করছে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। এর মধ্যেই এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের কী অসুবিধা হচ্ছে সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিহারের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী নারায়ণ প্রসাদ। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষের তো গাড়ি নেই। তাহলে পেট্রোলের দাম বাড়লে কী অসুবিধা?

সংবাদমাধ্যমের সামনে নারায়ণ বলেন, “সাধারণ মানুষ বেশিরভাগ বাসে চড়েন। খুব কম মানুষের গাড়ি রয়েছে। সাধারণ মানুষের গাড়ি না থাকলে পেট্রোলের দাম বাড়লে কী অসুবিধা?”

অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গেও মানুষ অভ্যস্ত হয়ে যাবে বলেই দাবি করেছেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, “মূল্যবৃদ্ধি আমার উপরেও প্রভাব ফেলছে। কিন্তু মানুষ এতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। তখন আর সমস্যা হবে না।”

টানা ১১ দিন ধরে ভারতে বেড়ে চলেছে জ্বালানি তেলের দাম। কোথাও তো পেট্রোলের দাম সেঞ্চুরি পার করেছে। ভারতের চারটে মেট্রো শহর দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা ও চেন্নাইয়ে এই দাম ৯০ টাকার বেশি।

এই ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে পথে নেমেছে বিরোধীরা। শুক্রবার পাটনা বিধানসভায় সাইকেল চালিয়ে এর প্রতিবাদ করতে দেখা যায় রাষ্ট্রীয় জনতা দল বিধায়ক মুকেশ রৌশনকে। রাস্তায় নামছে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শনিবার দক্ষিণ কলকাতায় মিছিল দিয়ে শুরু হচ্ছে প্রতিবাদ কর্মসূচি। যাদবপুর থেকে যদু বাবুর বাজার পর্যন্ত মিছিল হবে। বেহালায় মিছিল হবে রবিবার, ৩ এ থেকে ১৪ নম্বর বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত। শনিবার মিছিল হবে উত্তর কলকাতাতেও।

এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও ন্যাচারাল গ্যাস মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান অর্গানাইজেশন অফ দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ বা ওপেক-এর কাছে আবেদন করেছেন, তেলের রফতানি মূল্য একটু কমানোর জন্য। এর আগে বিরোধীদের প্রশ্নের জবাবে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়েছিলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে তেলের উৎপাদন খুব কম হয়েছে। তার ফলে চাহিদা ও যোগানের মধ্যে ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। তার ফলেই পেট্রোল, ডিজেলের দাম বাড়ছে।

You might also like