Latest News

৫১০ মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত অক্সিজেন, আরও বাড়ানোর ভাবনা, কোভিড কালে ভিন্ন ছবি কেরলে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিড অতিমারী কালে রাজ্যে রাজ্যে সঙ্কট অক্সিজেনের। দৈনিক করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অক্সিজেনের চাহিদা, যা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত উত্পাদন নেই দেশে। এ নিয়ে কেন্দ্র, রাজ্য, এমন কী কয়েকটি রাজ্যের মধ্যেও চাপানউতোর চলছে। তবে তার মধ্যেই একটু ভিন্ন ছবি বামশাসিত কেরলে। সেখানে ডেলিভারির পরও বিভিন্ন জীবনদায়ী অক্সিজেন গ্যাস উত্পাদন কেন্দ্রে ৫১০ মেট্রিক টন অক্সিজেন উদ্বৃত্ত রয়েছে। আগামী দিনে যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেরল ১০০০ মেট্রিক টন পর্যন্ত বাড়তি অক্সিজেনের সংস্থান করার পরিকল্পনা করছে বলে খবর।
রাজ্যে দৈনিক কোভিড ১৯ সংক্রমণ সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়ানোয় অক্সিজেনের বন্দোবস্ত খতিয়ে দেখতে বিশেষ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজা। পরিস্থিতির গুরুত্ব আলোচনা করে সেখানে স্থির হয়, মজুত থাকা অক্সিজেনের সঠিক ব্যবহারের জন্য রাজ্য, জেলা ও হাসপাতাল স্তরে অডিট কমিটি গঠন করা হবে। তিনি জানান, বর্তমানে সরকারি হাসপাতালগুলিতে ২২০ মেট্রিক টন মেডিকেল অক্সিজেন মিলবে। কোভিড ও কোভিড-নয়, এমন রোগের চিকিত্সায় প্রায় ১০০ মেট্রিক টন অক্সিজেনের প্রয়োজন। তা বিলি করার পর আমাদের হাতে উত্পাদন কেন্দ্রে প্রায় ৫১০ মেট্রিক টন অক্সিজেন সঞ্চিত আছে। আগামীদিনে যে কোনও অনিবার্য, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় অক্সিজেনের চাহিদা মেটাতে ১০০০ মেট্রিক টন বাড়তি অক্সিজেন রিজার্ভ রাখা সম্ভব কিনা, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। জেলা কালেক্টররা নিজেদের জেলায় করোনা চিকিত্সা কেন্দ্রগুলিতে কতটা অক্সিজেন লাগবে, সে ব্যাপারে হিসাব দেন।
পিনারাই বিজয়নের রাজ্যে মঙ্গলবার ৩২,৮১৯টি কোভিড সংক্রমণ নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৮৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী। দক্ষিণের রাজ্যে একদিনে করোনা সংক্রমণে এটা রেকর্ড। সেখানে অ্যাক্টিভ কেস বেড়ে ২.৪৭লাখ ছাড়িয়েছে।
বৈঠকে ট্রিটমেন্ট সেন্টারে অক্সিজেন লিক করা, চুঁইয়ে বেরনোর ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট অক্সিজেন সিলিন্ডার দেখভাল করা কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে কী করা যেতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয় বলে বিবৃতিতে জানিয়েছেন শৈলজা। কেন্দ্রীয় সরকার থেকে নির্দেশ এলে অক্সিজেন ট্যাঙ্কারকে অবাধে রাস্তা পেরনোর ছাড়পত্র দেওয়ার জন্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।
বৈঠকে ছিলেন সাউথ ইন্ডিয়া রেগুলেটরি অব অক্সিজেনের ইনচার্জ বেনুগোপাল নাম্বিয়ার, রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব রাজন খোবরাগাড়ে, ন্যাশনাল হেলথ মিশনের স্টেট ডিরেক্টর রাথন খেলকর ও আরও অনেকে।

You might also like