Latest News

উপত্যকায় জঙ্গিদের নতুন অস্ত্র ঘাতক ড্রোন, অবিলম্বে চাই চিহ্নিত করার উন্নত প্রযুক্তি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার মধ্যরাতে পর পর দু’বার বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে জম্মু কাশ্মীরের বায়ুসেনা ঘাঁটির বিমানবন্দর। জানা যায়, ড্রোন থেকে এই হামলা চালানো হয়েছিল। তবে এখানেই শেষ নয়, এরপরও পর পর তিন দিন জম্মুর সেনাঘাঁটির আশপাশে উড়তে দেখা গেছে ড্রোন।

ড্রোন উড়তে দেখলেই অবশ্য সটান গুলি চালাচ্ছেন সেনা আধিকারিকরা। আর সঙ্গে সঙ্গে ‘পালিয়ে’ গায়েব হয়ে যাচ্ছে উড়ন্ত সেই যন্ত্র। কিন্তু একথা মানতেই হবে, কাশ্মীর জুড়ে নতুন আতঙ্কের নাম এখন ড্রোন।

শনিবার মধ্যরাতে বায়ুসেনা ঘাঁটিতে পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে যে দুটি বিস্ফোরণ হয়েছিল তাতে কয়েকজন আহত হয়েছিলেন ঠিকই, তবে বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি কিছু হয়নি। তাই বলে ভবিষ্যতে যে বড় অঘটন ঘটবে না, তাই বা কে বলতে পারে? ড্রোনকেই কি উপত্যাকায় নতুন অস্ত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে জঙ্গিরা? লোকের মুখে মুখে ঘুরছে সেই প্রশ্ন।

অভিনব এই ড্রোন পদ্ধতি কিন্তু চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়েছে উপত্যকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে। সন্দেহজনক ড্রোনগুলি কোত্থেকে আসছে, এর পিছনে পাকিস্তান বা চিনের হাত আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে সবটাই। অবিলম্বে ভারতের দরকার ড্রোন সনাক্তকরণ প্রযুক্তি, তেমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

২০১৯ সালের আগস্ট মাসে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের পর থেকেই অশান্ত উপত্যকার পরিস্থিতি। পর্যবেক্ষকদের মতে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই আরও বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাইছে জঙ্গিরা। আর তা করতেই তারা বেছে নিয়েছে নতুন অস্ত্র ড্রোন।

প্রায় এক যুগ ধরে ড্রোন প্রযুক্তির উপর কাজ করছে ভারতীয় সেনা, নিরাপত্তা বাহিনী আর ডিআরডিও। সময়ের সাথে সাথে তার উন্নতিও হয়েছে।

আগেভাগেই ড্রোন চিহ্নিত করে তা খতম করার প্রযুক্তি আনা চাই। ২৪×৭ সীমান্তে কড়া নজরদারি প্রয়োজন। কোনও ড্রোন আসতে দেখলেই শুধু গুলি চালালে হবে না। সেগুলো যাতে সহজে পালিয়ে নিস্তার না পায় তা দেখতে হবে।

শনিবারের ড্রোন হামলায় বড় কোনও বিপর্যয় হয়নি, কোনও প্রাণহানি হয়নি, কিন্তু এখন থেকেই সতর্ক না হলেঊ আগামী দিনে আরও একটা পুলওয়ামা যে হবে না তার নিশ্চয়তা কিন্তু নেই।

You might also like