Latest News

মিসাইল নিয়ে সীমান্তে উড়বে ইজরায়েলি যোদ্ধা ড্রোন হেরন টিপি, শক্তি বাড়ছে তিন বাহিনীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আকাশপথে শত্রুপক্ষকে কড়া জবাব দিতে ইজরায়েল থেকে নতুন চারটি হেরন টিপি (Heron Drones) ড্রোন কিনছে ভারত। সশস্ত্র ড্রোন হেরন টিপি উড়বে শক্তিশালী মিসাইল নিয়ে। নজরদারি তো বটেই, সম্মুখ সমরের পরিস্থিতি তৈরি হলে আক্রমণাত্মক জবাব দিতে পারবে এই ড্রোন।

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা তথা এলএসিতে নজরদারি বাড়াতে ইজরায়েলি সশস্ত্র হেরন ড্রোন উড়িয়েছে ভারতীয় বাহিনী। অস্ত্র ভরে শত্রুঘাঁটিতে নিশানা করার প্রযুক্তি আছে এই ড্রোনের। পাশাপাশি নজরদারিও চালাতে পারে। নতুন চারটি ড্রোনে মিসাইল যোগ করার প্রযুক্তি আনছে ভারতীয় বাহিনী।

Israel Fixes & Returns Four IAI Heron UAVs to Turkey | Unmanned Systems  Technology

‘আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল’ (ইউএভি) হেরন টিপি (Eitan)ড্রোনের প্রতিটিতেই অস্ত্র ভরার ব্যবস্থা আছে। দূরপাল্লার এই ড্রোন দিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে অনায়াসেই টার্গেট করা যাবে। হেরন টিপি ড্রোনের নির্মাতা সংস্থা ইজরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ। ২০০৫ সাল থেকেই ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রয়েছে এই সশস্ত্র ড্রোন। ১৪ মিটার দৈর্ঘ্যের এই ড্রোন হাই-উইং ক্যান্টিলিভার মোনোপ্লেনের ডিজাইনে তৈরি। এর দুটো ডানার বিস্তৃতি প্রায় ২৬ মিটারের কাছাকাছি। হাজার কিলোগ্রামের বেশি ওজন বইতে পারে এই ড্রোন। এতে রয়েছে ইলেকট্রো-অপটিক্যাল টার্গেট সিস্টেম। রাতের বেলাতেও কাজ করতে পারে এই ড্রোন। এর বিশেষ ক্যামেরা যে কোনও আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে যে কোনও সময় শত্রু ঘাঁটির ছবি তুলে আনতে পারে। এতে রয়েছে ইলেকট্রনিক সাপোর্ট মেসারস (ESM), ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইনটেলিজেন্স (ELINT) এবং সিন্থেটিক অ্যাপার্চার রাডার (SAR)। উন্নতি প্রযুক্তির এই সশস্ত্র ড্রোন যুদ্ধক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়।

India to procure Heron drones - NewsBharati

লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনা থামেনি। গালওয়ান ও গোগরা হট স্প্রিং থেকে চিন সেনা সরিয়ে নিলেও, এখনও লাদাখ ছেড়ে যায়নি। বরং পাহাড়ি এলাকার আশপাশে ঘাঁটি গেড়ে রয়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। অন্যদিকে, সম্প্রতি খবর মিলেছে উত্তরাখণ্ডের সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ঢুকে এসেছিল চিনের লাল ফৌজ। ঘণ্টা তিনেক থেকে তারা ফিরে যায়। ভারতীয় সেনা সূত্র জানাচ্ছে, সিকিম, অরুণাচলেও নিজেদের সামরিক ঘাঁটি তৈরি করে রেখেচে চিনের সেনা। যদি কখনও আকাশযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে হেরন ড্রোন সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হবে। একদিকে যেমন শত্রুঘাঁটির গোপন খবর নিয়ে আসতে পারবে, তেমনি প্রয়োজন হলে মিসাইল ছুড়ে শত্রুপক্ষের এয়ারক্রাফ্টকেও ঘায়েল করতে পারবে। উঁচু পাহাড়ি এলাকায় নজরদারি চালানো এবং দুর্গম এলাকায় অতর্কিতে শত্রুঘাঁটির উপরে হামলা চালাতে এই ড্রোনের জুরি মেলা ভার। এর উন্নত রাডার ও সেন্সর সিস্টেম অনেক উঁচু থেকেই শত্রুঘাঁটি চিনে নিতে পারে। প্রতিপক্ষ টের পাওয়ার আগেই নির্ভুল লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে। স্থল সেনা, বায়ুসেনা ও নৌবাহিনী, প্রতিরক্ষার তিন স্তম্ভেরই কাজে আসবে এই ড্রোন।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like