Latest News

কেজরিওয়ালের বাড়ির সামনে গেস্ট টিচারদের ধরনা, শামিল সিধুও

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেস শাসিত পাঞ্জাবে জোরালো প্রচার শুরু করেছে আম আদমি পার্টি (AAP)। এবার আপ শাসিত দিল্লিতে আন্দোলনে শামিল হল কংগ্রেস। রবিবার দিল্লির গেস্ট টিচাররা মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাড়ির সামনে ধরনায় বসেন। তাতে শামিল হন পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি নভজ্যোৎ সিং সিধু। বিক্ষোভস্থলে তোলা ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, আন্দোলনকারী শিক্ষকদের সঙ্গে স্লোগান দিচ্ছেন সিধুও।

আপ সরকারের সমালোচনা করে পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি বলেন, দিল্লির ‘এডুকেশন মডেল’ হল ‘কনট্রাক্ট মডেল’। অর্থাৎ তাঁর বক্তব্য, রাজধানীতে বেশিরভাগ শিক্ষাকর্মীকে চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়। সিধুর অভিযোগ, আপ সরকারের পাঁচ বছরের শাসনকালে দিল্লিতে বেকারত্ব বেড়েছে পাঁচ গুণ। দিল্লিতে গেস্ট টিচারদের এক সংগঠন কেজরিওয়ালের সমালোচনা করে বলে, তিনি পাঞ্জাবে গিয়ে অনেক প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন বটে কিন্তু দিল্লিতে এখনও প্রতিশ্রুতি পালন করেননি। গেস্ট টিচারদের দাবি, তাঁরা কেজরিওয়ালের প্রতিশ্রুতির ওপরে ভরসা করে সাত বছর অপেক্ষা করছেন।

শনিবার আপ নেতা রাঘব চাড্ডা পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নির নির্বাচন কেন্দ্র চামকাউর সাহিব-এ ‘তল্লাশি’ করেন। তাঁর অভিযোগ, চান্নি নিজে বালি মাফিয়াদের সঙ্গে যুক্ত। কেজরিওয়ালও বলেন, বালি মাফিয়াদের সঙ্গে যোগসাজশ নিয়ে চান্নিকে জবাবদিহি করতে হবে।

গত কয়েকমাস ধরে ব্যাপক গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলছে পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসে। তার ফলে ক্যাপটেন অমরিন্দর সিং মুখ্যমন্ত্রীর পদটি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। তিনি বিজেপির সঙ্গে হাত মেলানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। আবার চান্নিকেও মাঝেমধ্যেই নিশানা করছেন সিধু। সোস্যাল মিডিয়াতেও সক্রিয় তিনি। একবার সিধু হুমকি দিয়েছিলেন, চান্নি সরকারের বিরুদ্ধে অনশনে বসবেন।

চান্নি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন সিধু। বেশ কয়েকটি পদে নিয়োগ নিয়ে অসন্তোষ ছিল তাঁর। শেষ পর্যন্ত দফায় দফায়  আলোচনার পর চান্নি কয়েক পা পিছনোয় ইস্তফা তুলে নিতে রাজি হন সিধু। এমনকি অ্যাডভোকেট জেনারেল  পদে এপিএস দেওলকে সরিয়ে ডিএস পাটোওয়ালিয়াকে বসাতেও সফল হন তিনি। ২০১৫ সালে শিখ ধর্মগ্রন্থ অপবিত্র করার ঘটনায় গুলি চলেছিল। সেই সংক্রান্ত মামলায় পাঞ্জাবের প্রাক্তন ডিজিপি সুমেধ সিং সাইনির হয়ে সওয়াল করেছিলেনে দেওল। সেজন্যই দেওলের নিয়োগের বিরোধিতা করেন সিধু।

You might also like