Latest News

সাতটা কৌটোয় ভর্তি ভ্রূণের ছিন্নভিন্ন দেহাংশ, লিঙ্গ জেনে গর্ভপাত করানো হয়েছে কন্যাভ্রূণেরও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পর পর সাজানো কৌটো। প্রত্য়েকটার মুখ খুলতেই আতঙ্কে, বিস্ময়ে চমকে উঠেছিলেন পুলিশ কর্তারা। প্রতিটা কৌটোয় ছিল মানব ভ্রূণের দেহাংশ। গর্ভপাতের (Abortion) পরে ভ্রূণের কাটাছেঁড়া শরীরের অংশগুলো কৌটোয় ভর্তি করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল একটি ল্যাবরেটরিতে। তার আগেই পুলিশ পাকড়াও করে ফেলে।

এই ঘটনা কেরলের বেলাগাভি জেলার। গর্ভপাত আইন এখন চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। গর্ভপাতের (Abortion) আইনি অধিকার নিয়ে শুক্রবার বিশ্বজুড়ে তর্ক শুরু হয়েছে। কারণ, মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আমেরিকায় গর্ভপাত আর সাংবিধানিক অধিকার বলে বিবেচিত হবে না। আমেরিকায় গর্ভপাত (Abortion) আইন নিয়ে সেখানকার সুপ্রিম কোর্ট রায় দেওয়ার পরে সে নিয়েই আলোচনা হচ্ছে নানা মহলে। তার মধ্যেই কেরলে এমন ভয়ঙ্কর ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। তদন্তকারী অফিসাররা বলছেন, ভ্রূণের দেহাংশ পরীক্ষা করে দেখা গেছে প্রতিটারই লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয়েছিল। পাঁচ মাসের একটি কন্যাভ্রূণের দেহাংশও পেয়েছে পুলিশ। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, লিঙ্গ জানার পরেই গর্ভপাত করানো হয়েছিল।

জেলার স্বাস্থ্য অধিকর্তা মহেশ কোনি বলছেন, বিভিন্ন হাসপাতালে চুপিসাড়ে গর্ভপাত করানো হচ্ছে। সবচেয়ে বড় অপরাধ হল লিঙ্গ জেনে ভ্রূণের গর্ভপাত (Abortion) করানো। এটা হত্যারই সামিল।

পদ্মা সেতু—অসম্ভবকে সম্ভব করার রূপকথা

ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ নিষিদ্ধ করে ১৯৯৪ সালে তৈরি হয় প্রি-ন্যাটাল ডায়াগনস্টিক টেস্ট অ্যাক্ট। কন্যা ভ্রূণ হত্যা রুখতে সেই আইন যে খুব একটা কাজে এসেছে, তেমন নয়। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একটা অসাধু চক্র সব সময়েই কাজ করেছে। এক শ্রেণির ডাক্তার এবং টেকনিশিয়ান এই চক্রের অংশ হিসেবে কাজ করেন বলেও নানা সময়ে অভিযোগ উঠেছে। আইন ভেঙে ভ্রূণের লিঙ্গ জেনে গিয়ে অনেক জায়গাতেই গর্ভস্থ কন্যা সন্তানকে হত্যা করা হয়।

You might also like