Latest News

বাংলার দুই, মোদীর নয়া মন্ত্রিসভার ৩৩ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর ক্রিমিনাল রেকর্ড

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বড়সড় সম্প্রসারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ডজনখানেক মন্ত্রীকে ইস্তফা দিতে হয়েছে। তাঁদের জায়গায় এসেছে নতুন নতুন মুখ। মোদী মন্ত্রিসভার এই নতুন রূপ কিন্তু নিষ্কলঙ্ক নয়। সমীক্ষার দিকে চোখ রাখলে উঠে আসছে গুরুতর তথ্য।

অসরকারি সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের তথ্য বলছে, নতুন মোদী মন্ত্রিসভার ৭৮ জন মন্ত্রীর অতীত রেকর্ড ঘেঁটে দেখা গেছে ৩৩ জনের বিরুদ্ধে রয়েছে ক্রিমিনাল রেকর্ড। শতাংশের হিসেবে যা ৪২%। এর মধ্যে আবার ২৪ জনের (৩১%) বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর।

বাংলা থেকে এবার চার জন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী পেয়েছে বিজেপি। গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আছে তাঁদের মধ্যে অন্তত দু-জনের বিরুদ্ধে। কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে রয়েছে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা। তিনি কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন।

মোট ১১টি মামলা রয়েছে নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে গুরুতর অপরাধের ২১টি ধারায় মামলা রয়েছে। অন্যান্য অভিযোগ রয়েছে ২৩টি ধারায়।

এছাড়া তালিকায় রয়েছেন উত্তরবঙ্গেরই আরও এক বিজেপি নেতা। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বার্লার বিরুদ্ধে মোট অভিযোগ ৯টি। আইপিসির গুরুতর অভিযোগ রয়েছে ২৪টি এবং অন্যান্য অভিযোগ রয়েছে ৩৮টি।

শুধু বাংলার বিজেপি নেতারাই নন, মোদী মন্ত্রিসভায় ডাক পাওয়া বিভিন্ন রাজ্যের একাধিক গেরুয়া নেতাই একগুচ্ছ অপরাধে অভিযুক্ত রয়েছেন। খুনের চেষ্টার অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায় মামলা রুজু রয়েছে ৪ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। এই তালিকায় বাংলার দুজন ছাড়াও রয়েছেন উত্তরপ্রদেশের পঙ্কজ চৌধুরী এবং মহারাষ্ট্রের ভি মুরলীধরন।

সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন ৫ জন হাইপ্রোফাইল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রয়েছেন এই তালিকার শীর্ষে। এছাড়া গিরিরাজ সিং, শোভা কারান্দলাজে, নিত্যানন্দ রাই এবং প্রহ্লাদ যোশীর নাম রয়েছে।

নির্বাচন চলাকালীন হিংসা ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে কেন্দ্রের ৭ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তাঁরা হলেন নিতিন গডকড়ি, সত্যপাল সিং বাঘেল, গিরিরাজ সিং, পঙ্কজ চৌধুরী, অশ্বিনী কুমার চৌবে, ভাগ্যনাথ খুবা এবং কৌশল কিশোর।

বিজেপি হোক বা তৃণমূল, সিপিএম কিংবা কংগ্রেস, নেতাদের রাজনৈতিক জীবনে অপরাধ জগতের কলঙ্ক নতুন নয়। বরং বলা ভাল, দেশের রাজনীতির ইতিহাসে নিষ্কলঙ্ক নেতা খুব কমই আছেন। কখনও না কখনও কোনও না কোনও কারণে অপরাধের খাতায় নাম উঠেছে অধিকাংশেরই, অবশ্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপরাধ প্রমাণ ও তদন্ত সাপেক্ষ।

You might also like