Latest News

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের নকল ইঞ্জেকশন বিক্রি, পুলিশের জালে খোদ ডাক্তাররাই

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ভুয়ো ইঞ্জেকশন তৈরি অভিযোগে পুলিশের জালে জড়ালেন দুই ডাক্তার। এছাড়া আরও ৮ জনকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা।

মিউকরমাইকোসিস সংক্রমণের চিকিৎসায় ধরা ব্যবহার করা হয় অ্যামফোটেরিসিন-বি ইঞ্জেকশন। এই ইঞ্জেকশনের নকল কিছু ভায়াল উদ্ধার করা হয়েছে অভিযুক্ত এক ডাক্তারের বাড়ি থেকে। পুলিশ জানিয়েছে, ডঃ আলতামাস হুসেনের বাড়ি থেকে পাওয়া গেছে ৩ হাজার ২৯৩টি নকল অ্যামফোটেরিসিন-বি ইঞ্জেকশন।

দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখার ডিসিপি মনিকা ভরদ্বাজ জানিয়েছেন, ‘যা পাওয়া গেছে তার বেশিরভাগই ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসায় লাগে। তবে কিছু রেমডিসিভির ইঞ্জেকশনও তার মধ্যে ছিল। কিছু কিছু ইঞ্জেকশনের আবার তারিখ পেরিয়ে গিয়েছে।’

মিউকরমাইকোসিস রোগের চিকিৎসায় লাগে অ্যামফোটেরিসিন-বি ইঞ্জেকশন। এই রোগ কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর অনেকের শরীরে দেখা গেছে। মাথা, নাক, চোখ এবং কখনও কখনও ব্রেনেও ক্ষতি করতে পারে এই ছত্রাক সংক্রমণ। ক্যান্সার কিংবা এইচআইভি বা এইডস থাকলে এই সংক্রমণে প্রাণহানিও ঘটতে পারে।

গ্রেফতার করা দুজন ডাক্তারের মেডিকেল ডিগ্রিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দিল্লি সরকারের ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগ থেকে গত ৭ জুন নকল ইঞ্জেকশনের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। তারপরেই ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। সূত্রের খবর, এই অপরাধী চক্র এখনও পর্যন্ত অন্তত ৪০০ নকল ইঞ্জেকশন বিক্রি করেছে। যার দাম ২৫০ টাকা তা তারা বিক্রি করেছে ১২ হাজার টাকায়।

You might also like