
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা বলছেন, প্রধান বিচারপতি বুধবার সকালে অযোধ্যা মামলার শুনানি নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। কারণ তা পূর্ব নির্ধারিত ছিল। ওই শুনানি শেষ হলে তিনি ঠিক করবেন যে চিদম্বরমের আবেদন কখন শুনবেন। তা আজ মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর হতে পারে, বা বিকেলে হতে পারে, কিংবা আগামীকালও হতে পারে। কোনও কিছুই এখন স্পষ্ট নয়।
বুধবার সকাল থেকে যা হয়েছে।
সকাল ০৮:০০। চিদম্বরমের জোরবাগের বাড়িতে ফের পৌঁছে গিয়েছে সিবিআই টিম।
সকাল ১০: ৩০। জানা গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে চিদম্বরম তাঁর আবেদনে বলেছেন, তিনি আইনের বিচার থেকে পালাচ্ছেন না। তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করতে তিনি ইচ্ছুক। কিন্তু দুর্নীতির মামলার তদন্তকে যেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার হাতিয়ারে পরিণত না করা হয়। তাঁকে আগাম জামিন দেওয়া হোক, নইলে তাঁর অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে। আবেদনে চিদম্বরম আরও বলেছেন, তিনি রাজ্যসভার সদস্য। সমাজে তাঁর পরিচিতি ও মর্যাদা রয়েছে। অতীতে তাঁর বিরুদ্ধে কখনও কোনও অপরাধের অভিযোগ ওঠেনি।
সকাল ১০ : ৪০। সিবিআইয়ের তরফে আদালতে বলা হয়, পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি হয়েছে আইএনএক্স মিডিয়ায়। চিদম্বরমকে কোনও ভাবেই যেন রেহাই দেওয়া না হয়।
সকাল ১০ : ৪৫। চিদম্বরমের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করবেন কংগ্রেসের দুঁদে আইনজীবীরা। কোর্ট রুমে দেখা গেল, কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কপিল সিব্বল, সলমন খুরশিদ ও বিবেক টাঙ্কা-কে।
সকাল ১০: ৫৫। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এন ভি রামানা চিদম্বরমের আবেদনের ফাইল পাঠালেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের কাছে। জানানো হল, প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন তিনি মামলাটি কখন শুনবেন।
সকাল ১০.৫৯। চিদম্বরমের মামলা অবিলম্বে যাতে শোনা হয়, সেজন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করা হল।
বেলা ১১.০৩। চিদম্বরম বললেন, দিল্লি হাইকোর্ট যেভাবে তাঁকে আইএনএক্স মামলায় কিং পিন বলেছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
বেলা ১১.২৬। জলপথ, স্থলপথ ও আকাশপথে চিদম্বরমের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ইডি তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে লুক আউট নোটিস জারি করল।