Latest News

‘‌তিস্তা–সহ সব সমস্যার সমাধান হবে’‌, মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন হাসিনা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) সঙ্গে আজ বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বৈঠকে তিস্তা চুক্তি, নদীগুলির নাব্যতা বাড়ানো, রোগিঙ্গা সমস্যা নিয়ে কথা হয়েছে। তারপরই বৈঠক নিয়ে হাসিনার বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।

হাসিনা (Sheikh Hasina) ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপনে মোদী সরকারের কর্মসূচি ‘আজাদিকা অমৃত মহোৎসব’-এর সফল সমাপ্তির অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বিবৃতিতে বলেন, ‘ভারতের আগামী ২৫ বছরেরও শুভেচ্ছা জানাই। ভারত ‘আত্মনির্ভর’তার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।’

ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকলেও তিস্তার জলের বিষয়টি বহুবছর যাবত আটকে। ফলে পরের বছর ভোটে ব্যাপক চাপে পড়তে পারেন হাসিনা। তাই নরেন্দ্র মোদীর সরকারের সঙ্গে গোঁড়া থেকেই সুসম্পর্ক রেখে চলছেন শেখ মুজিবুর রহমান কন্যা।

শেখ হাসিনা বলেন ‘বাংলাদেশ এখন দুই দেশের অভিন্ন ৫৪টি নদীতে ড্রেজিংয়ের দিকে নজর দিচ্ছে। এখন নজরে দুটি প্রধান আন্তঃসীমান্ত নদী মুহুরী এবং ফেনী-কুশিয়ারার ওপর। যে দুটিই ত্রিপুরা থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবাহিত হয়েছে।’

হাসিনা বলছিলেন, ‘বাংলাদেশ তাঁদের সব নদী ড্রেজিংয়ের প্রক্রিয়া শুরু করবে। এবং ভারত তাতে পাশে থাকবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ভূগর্ভস্থ জল বৃদ্ধির পাশাপাশি কিছু পুরনো ও ক্ষয়িষ্ণু নদীকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কাজ করছে বাংলাদেশ’

বাংলাদেশে মোট ২৩০টি নদী রয়েছে। যার মধ্যে ৫৪টি ভারতের মধ্যে দিয়ে বইছে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের বাংলাদেশ সফরের সময় তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মমতা বন্দোপাধ্যায়ের আপত্তির কারণে শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়।

তবুও হাসিনার কথায়, ‘আমি এই সফরে মমতার সঙ্গে দেখা করার আশা করছিলাম … কিন্তু কী করব? সে বোনের মতো। রাজনীতির বাইরেও আমাদের সম্পর্ক আছে, যেমনটা আমার গান্ধী পরিবারের সঙ্গে আছে।’

হাসিনা জানান ,রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত অনেক কিছু করতে পারে। হাসিনার বক্তব্য, নরেন্দ্র মোদী এবং আমি আরেকটি ফলপ্রসূ আলোচনা শেষ করেছি। ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং ঋণের বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

হাসিনার কথায়, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার এবং জনগণ যে অমূল্য সমর্থন দিয়েছিল তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমি মোদীজির দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করি, যা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতি দিয়েছে।’

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা আশা করি তিস্তা জল বণ্টন চুক্তি-সহ সব সমস্যার সমাধান হবে। আমি আগামীকাল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বা গুরুতর আহত ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সৈনিক/অধিকারীকদের সরাসরি ‘মুজিব বৃত্তি’ দেব।’

যোগীরাজ্যে ছ’বছরের ছেলেকে ধর্ষণ করে খুন! গ্রেফতার ২

You might also like