Latest News

নদিয়ার তৃণমূল নেতা খুনে দলেরই ব্লক সভাপতি সহ দশজনের বিরুদ্ধে এফআইআর

দ্য ওয়াল ব্যুরো, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া: নদিয়ার তৃণমূল নেতা মতিরুল বিশ্বাস খুনের (Nadia TMC Leader Murder) ঘটনায় দলেরই দুই নেতা-সহ মোট দশজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করলেন নিহত নেতার স্ত্রী। এফআইআরে (FIR) নাম রয়েছে নওদার ব্লক তৃণমূল সভাপতি সফিউজ্জামান সেখ ওরফে হাবিব মাস্টার এবং নদিয়ার জেলা পরিষদ সদস্য টিনা ভৌমিকের। মতিরুল খুনের ঘটনায় প্রথম থেকেই সামনে আসছিল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব। তাঁর স্ত্রীর দায়ের করা এফআইআরের পর তাতেই সিলমোহর পড়ল।

মতিরুল বিশ্বাসের স্ত্রী রিনা খাতুন নারায়ণপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নওদার মহম্মদপুর এলাকা থেকে মোটরবাইক চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন মতিরুল। পিছনের সিটে বসেছিলেন নিরাপত্তারক্ষী। পিছনের মোটরবাইকে ছিলেন এক সিভিক ভলান্টিয়ারও। নওদার টিয়াকাটা ফেরিঘাটে পৌঁছনোর আগেই শিবনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে মতিরুলের মোটরবাইক লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তখন খুব কাছ থেকে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই তৃণমূল নেতাকে উদ্ধার করে আমতলা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় মতিরুলের।

তারপরেই রিনা খাতুন দাবি করেন, পার্টি করতে গিয়েই তাঁর স্বামী খুন হয়েছেন। তাঁর স্বামী বিভিন্ন সময় যাদের নামে অভিযোগ করেছেন তাদের নামেই এফআইআর করেছেন তিনি। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে বলে জানালেও রাজ্য পুলিশের তদন্তে যে তিনি খুশি নন, সে কথাও জানান। শুক্রবার সকালে স্বামীর মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্তও দাবি করেন। পরে অবশ্য নিজের অবস্থান থেকে সরে এসে সিআইডি তদন্ত দাবি করেন তিনি।

চা বাগানের হাতে চলে যাওয়া জমি ফেরানোর আশ্বাস নতুন উপাচার্যের

বৃহস্পতিবারই টিনা ভৌমিক ও সফিউজ্জামান সেখ ওরফে হাবিব এই খুনের ঘটনায় জড়িত বলে দাবি করেছিলেন নদিয়ার তৃণমূল নেতা সাজিজুল হক শা। একটি ইটভাটা নিয়ে নাকি বিবাদ ছিল দুই গোষ্ঠীর। আগে থেকেই খুনের হুমকি ছিল। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন নওদার ব্লক তৃণমূল সভাপতি সফিউজ্জামান সেখ। এই ঘটনার সঙ্গে মুর্শিদাবাদের কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খানও।

You might also like