Latest News

সইফুদ্দিন, শহিদুলদের হাতে মায়ের কাঠামোপুজো! জন্মাষ্টমীতে সম্প্রীতির নজির বসিরহাটে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর (Janmashtami) দিন থেকেই দুর্গাপুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে যায় প্রতিবার, শুরু হয় দিন গোনা। আর মাস দেড়েকের মধ্যেই তো মায়ের আগমনী। প্রতি বছর এই দিনেই দেবী দুর্গার (Durga Puja) কাঠামো পুজো হয় বসিরহাটের (Basirhat) সারাফুল পুজো কমিটির মাঠে। আর বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এই পুজো বরাবরই বয়ে আনে সম্প্রীতির বার্তা।

স্বরূপনগরের সারাফুল নির্মাণ গ্রাম পঞ্চায়েতে সীমান্ত লাগোয়া ডাকবাংলা স্কুল মাঠে এই পুজো হয়। প্রতিবছর দূর-দূরান্ত থেকেও পুজো দেখতে মানুষ এখানে ভিড় করেন। আর সবচেয়ে চমকপ্রদ হল, এই পুজোর আয়োজক শুধু হিন্দু নন, মুসলিমরাও।

সীমান্তের এ গ্রামে হিন্দু-মুসলিমে কোনও ভেদ চোখে পড়ে না। সকলেই মিলেমিশে থাকেন। দুর্গাপুজোকেও কোনও একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগত উৎসব হিসেবে দেখা হয় না এই গ্রামে। প্রথম থেকেই পুজো কমিটিতে হিন্দুদের পাশাপাশি রয়েছেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও। জন্মাষ্টমীতে তাঁদের হাতেই হল দেবীর কাঠামো পুজো।

সারাফুল দুর্গাপুজো কমিটি গত ৬১ বছর ধরে দুর্গোৎসবের আয়োজন করে আসছে। কাঠামো পুজোর দিন স্কুলের মাঠে মেলা, যাত্রা থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কিছুই বাদ যায়নি। উপস্থিত ছিলেন স্বরুপনগরের বিধায়ক বিনা মণ্ডল ও রমেন সর্দার সহ মুসলিম সম্প্রদায়ের একাধিক ব্যক্তিত্ব। এলাকার মানুষ তো বটেই, এমনকি কাঁটাতার পেরিয়ে ওপার বাংলার লোকজনও এই পুজো দেখতে আসেন বছর বছর।

পুজো কমিটির সম্পাদক সাইফুদ্দিন গাজী বলেন, হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যেই এই পুজোকে ঘিরে আলাদা উন্মাদনা রয়েছে। আমরা সকলে মিলেমিশে পুজোর আয়োজন করি। পুজোর কটা দিন একসঙ্গে পাত পেড়ে খাই। বাংলা আসলে সম্প্রীতির পীঠস্থান। আমরা সকলেই এখানে একে অপরের পরিপূরক।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশি জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই, ত্রিপুরার সীমান্তে প্রাণ গেল বিএসএফ জওয়ানের

You might also like