Latest News

পায়ে ভর করেই আকাশ ছুঁতে চায় মুর্শিদাবাদের রহমান! ঝকঝকে তাঁর মাধ্যমিকের মার্কশিট

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জন্মের পর থেকেই স্নায়ুর রোগে আক্রান্ত মুর্শিদাবাদের (Mursidabad) মহম্মদ আলম রহমান। তার দুই হাতই অকেজো। তবু পায়ে ভর করে জীবনে সাফল্যের প্রথম সিঁড়িটা হাসতে হাসতেই পার করল রহমান। মাধ্যমিকে তার মার্কশিট দেখে কে বলবে হাত নয়, পা দিয়ে লিখে পরীক্ষার খাতা ভরিয়েছিল সে? মার্কশিটে জ্বলজ্বল করছে ৬২৫ নম্বর।

আরও পড়ুন: মাধ্যমিকে একাদশ হয়ে লরিচালক বাবার ঘরে আলো জ্বালল ভাতারের রাহুল

পায়ের লেখায় ভর করেই মাধ্যমিকে ৯০ শতাংশ নম্বর এনেছে রহমান। মুর্শিদাবাদের (Mursidabad) বড়ঞা থানার বৈদ্যনাথপুরে বাড়ি তার। পড়াশোনা গড্ডা গণপতি আদর্শ বিদ্যাপীঠে। রহমানের বাবা ফিরোজ গ্রামে একটি মুদির দোকান চালান। মা গৃহবধূ। অভাব তাদের সংসারের নিত্যসঙ্গী। কিন্তু সেই অভাবকে পাশ কাটিয়ে যাবতীয় প্রতিবন্ধকতা ভুলে বড় স্বপ্ন দেখে রহমান। তাঁর ইচ্ছে, সায়েন্স নিয়ে আরও অনেক দূর পড়াশোনা করবে সে। তারপর একদিন হয়ে উঠবে মহাকাশ বিজ্ঞানী। ঠিক যেমন শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে হারিয়ে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিলেন স্টিফেন হকিং।

মনের জোর আর লেখাপড়া করার অদম্য জেদ এই সাফল্য এনে দিয়েছে রহমানকে (Mursidabad)। মাধ্যমিকে তার রেজাল্ট শোনার পর থেকে এলাকায় জয়জয়কার। পাড়ার লোকজন ভিড় করেছেন তার বাড়ির সামনে। এই সাফল্যের জন্য রহমানকে শুভেচ্ছা জানাতে সকলেই উদগ্রীব।

বড় হয়ে আকাশ ছুঁতে চায় রহমান। মহাকাশ নিয়ে কাজ করে জেনে ফেলতে চায় তার খুঁটিনাটি রহস্য। নিজের নামের পাশে জুড়তে চায় ‘স্পেস সায়েন্টিস্ট’ নাম। কিন্তু শুধু বড় বড় স্বপ্ন দেখলেই তো হবে না। সে স্বপ্ন সফল করতে চাই টাকা। অভাবের সংসারে মেধাবী ছেলের ইচ্ছেপূরণ করতে তাই সরকার বা সহৃদয় ব্যক্তির সাহায্যের মুখ চেয়ে আছেন রহমানের বাবা-মা।

You might also like