Latest News

জ্যৈষ্ঠের শেষলগ্নে বর্ষা এল, কলকাতায় স্বস্তির বৃষ্টি আজ সারাদিন! তুমুল দুর্যোগের ভ্রূকুটি উত্তরবঙ্গে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জ্যৈষ্ঠের শেষলগ্ন উপস্থিত। রাত পোহালেই ‘আষাঢ়স্য প্রথম দিবস’ (Monsoon)। কলকাতার আকাশের দিকে তাকালেও তার ইঙ্গিত মিলছে। বুধবার সকাল থেকেই মুখ ভার করে রেখেছে আকাশ। কোথাও কোথাও বৃষ্টিও (Rain) শুরু হয়ে গেছে।

দক্ষিণবঙ্গে এবার বর্ষা দেরিতে ঢুকছে। সাধারণত ১১ জুন অফিসিয়ালি বর্ষা ঢোকার কথা পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণের জেলাগুলিতে। কিন্তু এবছর তা হয়নি। সময় পেরিয়ে গেছে। তবে হতাশ হওয়ার কারণ নেই। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিয়েছে বৃহস্পতিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার আনাগোনা শুরু হয়ে যাবে। আষাঢ়ে বৃষ্টি হবে ভালমতোই।

বুধবার কলকাতাসহ (Kolkata) দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রাস্তাঘাটে ছাতা কিংবা রেনকোট সবসময় সঙ্গে রাখতে হবে। আচমকা ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

মঙ্গলবার রাতেই যেমন আচমকা বৃষ্টিতে কাকভেজা হয়ে গিয়েছিল শহর কলকাতা। আশপাশের এলাকাতেও বৃষ্টি হয়েছে। সঙ্গে ছিল ঝোড়ো হাওয়ার দাপট। কোথাও কোথাও ধুলোর ঝড় তাণ্ডব চালিয়েছে বেশ কিছুক্ষণ। অফিসফেরৎ যাত্রীরা আচমকা দুর্যোগে নাজেহাল হয়েছেন।

আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্র মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করবে। বুধবার সারাদিনই কলকাতায় আকাশ থাকবে মেঘলা। দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে শহরে। আগামী চার-পাঁচদিন বৃষ্টি আরও বাড়বে।

দক্ষিণে বর্ষা সবে পা রাখছে। কিন্তু উত্তরবঙ্গের (North Bengal) পরিস্থিতি শোচনীয়। সেখানে আগামী কয়েকদিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। বৃষ্টির তেজ উত্তরের জেলাগুলিতে এতই বাড়বে যে সেখানে ধস নামতে পারে। বাড়তে পারে তিস্তা, তোর্সার মতো নদীগুলির জলস্তর। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ের কোথাও কোথাও ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে। জারি করা হয়েছেকমলা সতর্কতা। বর্ষার আগমনীতে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে বলে পূর্বাভাস। গুমোট গরম থেকে মিলবে স্বস্তি।

You might also like