Latest News

মোদীজি কা সেনা, মন্তব্য করে বিতর্কে যোগী, টুইটে মমতা বললেন, শকিং

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কংগ্রেস জঙ্গিদের বিরিয়ানি খাওয়ায়। কিন্তু ‘মোদীজি কি সেনা’ তাদের খাওয়ায় গোলা আর গুলি। এভাবে কার্যত ভারতের সেনাবাহিনীকেই মোদীর সেনা বলে মন্তব্য করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। রবিবার তিনি ওই কথা বলার পরেই তীব্র নিন্দা করেছে বিরোধীরা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে বলেন, সেনাবাহিনীকে অপমান করা হয়েছে। কংগ্রেস সরাসরি বলেছে, ওই মন্তব্যের জন্য যোগীকে ক্ষমা চাইতে হবে।

দিল্লির কাছে গাজিয়াবাদে এক জনসভায় যোগী বলেন, ‘কংগ্রেস কি লোগ’ সন্ত্রাসবাদীদের বিরিয়ানি খাওয়ায়। মাসুদ আজহারের মতো জঙ্গিদের সম্মান দেখিয়ে ‘জি’ বলে সম্বোধন করে। কিন্তু মোদীজির সেনা তাদের কেবল গুলি আর গোলা খাওয়ায়। যোগীর দাবি, মোদীর আমলে জঙ্গিদের মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছে। কারণ তাদের ঘাঁটিতেই আঘাত হেনেছে সেনাবাহিনী।

তাঁর কথায়, কংগ্রেসের আমলা যা ছিল ‘না মুমকিন’ অর্থাৎ অসম্ভব, এখন তা সম্ভব হয়ে উঠেছে। মোদীর জন্যই অসম্ভব হয়েছে সম্ভব।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করেছেন, ভারতীয় সেনাকে যেভাবে ‘মোদী সেনা’ বলা হয়েছে, তা ‘শকিং’। সেনাবাহিনীর কৃতিত্ব যেভাবে এক ব্যক্তি আত্মসাৎ করতে চাইছেন, তা অপমানজনক। আমরা সেনাবাহিনীর জন্য গর্বিত। তারা কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। দেশের জনগণের উচিত এই বিবৃতিকে নাকচ করা।

কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী টুইট করেন, ওই মন্তব্যের জন্য যোগীকে ক্ষমা চাইতে হবে। তাঁর কথায়, সশস্ত্র বাহিনীকে অপমান করা হয়েছে। ভারতীয় সেনা কারও প্রাইভেট আর্মি নয়। কারও প্রচার মন্ত্রীও নয়। আদিত্যনাথকে ক্ষমা চাইতে হবে।

যোগী আদিত্যনাথকে তিনি মনে করিয়ে দেন, ১৯৯৯ সালে আইসি ৮১৪ নামে একটি বিমান ছিনতাই হওয়ার পরে মাসুদ আজহারকে বিজেপিই ছেড়ে দিয়েছিল। প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদীর কথায়, মনে রাখতে হবে, এখন যিনি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, সেই অজিত দোভালই মাসুদকে ‘টেররিস্তানে’ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

এর আগেও বিরোধীরা অভিযোগ করেছে, নির্বাচনে ফয়দা তোলার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে ব্যবহার করতে চাইছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি মাসে কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হানায় ৪০ জনের বেশি সিআরপিএফ কর্মী নিহত হন। জবাবে ভারতের বায়ুসেনা পাকিস্তানে ঢুকে বালাকোটে জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরে বোমা ফেলে আসে। পরে ভারতে ঢুকে পড়ে কয়েকটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান। তাদের তারা করতে গিয়ে মিরাজ বিমান নিয়ে পাকিস্তানে ঢুকে পড়েন উইং কম্যান্ডার অভিনন্দন বর্তমান। তাঁর বিমান পাকিস্তানের গলায় ধ্বংস হয়। তিনি বন্দি হন। পরে ভারতের চাপে তাঁকে ফিরিয়ে দেয় পাকিস্তান।

You might also like