Latest News

মীরের কণ্ঠে চণ্ডীপাঠ শুনতে চেয়ে ফেসবুক পোস্ট অনুরাগীর, কী বললেন শিল্পী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহালয়ার মতো বিশেষ দিনে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী ও চণ্ডীপাঠ শুনে ঘুম ভাঙে আমবাঙালির। বাকি সমস্তকিছু একঘেয়ে হয়ে গেলেও বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মহিষাসুরমর্দিনী সকলের কাছেই এভারগ্রিন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম পেরিয়েও এই কণ্ঠের আবেদন আজও একইভাবে প্রাসঙ্গিক। আর এই মহালয়ার সকালেই বাঙালির আর একজন প্রিয় কণ্ঠশিল্পীর কাছেই চণ্ডীপাঠ (Chandi Path) শোনার আবদার করে বসলেন তাঁর অনুরাগী (fan)। যদিও তিনি মার্জনা চেয়ে বিনয়ের সঙ্গে সেই প্রস্তাব ফিরিয়েছেন। তিনি মীর (Mir Afsar Ali)। বীরেনবাবুর মতো তাঁরও কণ্ঠের জাদুতে আজও বেঁচে থাকার রসদ খুঁজে পান শ্রোতারা।

সম্প্রতি রেডিও মির্চির ‘সকালম্যান’ রেডিও থেকে অবসর নিয়েছেন। কিন্তু অনুরাগীদের মন থেকে তো তিনি অবসর নিতে পারবেন না কোনওদিনই। তাই এবার মীরের কাঁধেই বড় দায়িত্ব দিতে চান ভক্তরা। সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তাঁর কাছে চণ্ডীপাঠ করার আবদার করলেন এক অনুরাগী।

ফেসবুকে সেই ব্যক্তি লিখেছেন, ‘বলতে ভীষণ ভয় করছে। জানি এটা শুনলেই নস্টালজিয়ায় ভোগা পাবলিক হারে রেরে করে তেড়ে আসবে। হয়তো হিন্দুবীররা ভার্চুয়াল ত্রিশূলের খোঁচা মারবে। তবুও মনের কথাটা একবার অন্তত না বলে পারছি না। যাদের অনুভূতি আহত হবে তাদের কাছে আমি আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। তবুও বলতেই হচ্ছে- মির আফসার আলির ভরাট কণ্ঠে ইমোশন, অ্যাক্টিং সব আছে। ওঁর কণ্ঠে চণ্ডীপাঠ শোনার ইচ্ছে রইল। উনি একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন।’

যদিও মীর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জুতোয় পা গলাতে চান না। তাই সেই অনুরাগীর পোস্ট শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘ধৃষ্টতা নেই। মার্জনা করবেন। তবে আপনি যে আমাকে নিয়ে এটা ভেবেছেন, এটাই আমার বড় প্রাপ্তি।’

তবে মীর রাজি না হলেও এক ভক্তের আবদার নিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত সোশ্যাল মিডিয়া। ধর্ম, নিয়ম, আচার-বিচার, সমস্ত কিছুর বেড়াজাল ভেঙে বহু মানুষই মীরের গলায় চণ্ডীপাঠ শোনার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন। সেসব দেখে আপ্লুত মীর নিজেও।

প্রবীণ আর দৃষ্টিহীনদের জন্যও সাজছে মণ্ডপ! নির্ঝঞ্ঝাটে ঠাকুর দেখবেন তাঁরাও

You might also like