Latest News

সংক্রমণ রুখতে লকডাউন, চিনে একাধিক প্রদেশ যেন জেলখানা, বেজিংয়ে হাই অ্যালার্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেজিংয়ে সামনের মাসে শীতকালীন অলিম্পিকের আসর বসছে।  হাই অ্যালার্ট (high alert) জারি রয়েছে চিনা রাজধানীতে (beijing)। তার মধ্যেই ওমিক্রন  (omicron) ভ্যারিয়েন্ট সহ দফায় দফায় করোনাভাইরাস (coronavirus) সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রয়েছে। কোভিড ১৯ মোকাবিলায় জিরো টলারেন্স (zero tolerance) বা বিন্দুমাত্র শৈথিল্য না দেখানোর নীতি মেনে টার্গেট করে লকডাউন (lockdown) জারি, সীমান্ত এলাকায় একগুচ্ছ বিধিনিষেধ ও দীর্ঘমেয়াদি কোয়ারান্টিনের  পথে হাঁটছে চিন (china)। এতে আমেরিকা, ইউরোপের মতো হটস্পটের সংখ্যা হয়তো খুব বেশি নয়, কিন্তু চিনের একাধিক শহরে স্থানীয়  স্তরে মাঝেমধ্যেই মাথাচাড়া দিচ্ছে সংক্রমণ। তার মধ্যেই নতুন চ্যালেঞ্জ দ্রুত ছড়াতে থাকা ওমিক্রন।  হেনান প্রদেশে লকডাউন করা এনিয়াং শহরে দুটি ওমিক্রন সংক্রমণের খবর মিলেছে।

সরকার নিয়ন্ত্রিত চিনা সংবাদ সংস্থা জিনহুয়ার খবর, এনিয়াং প্রশাসন সোমবার বেলার দিকে শহরে লকডাউন ঘোষণা করে। বাসিন্দাদের বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বাড়ি থেকে বা রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বেরনো যাবে না। এনিয়াংয়ের ওমিক্রন সংক্রমণের সঙ্গে প্রায় ৪০০ কিমি দূরের তিয়ানজিন শহরের সংক্রমণ ক্লাস্টারের যোগসূত্র মিলেছে। এনিয়াংয়ে অত্যাবশ্যকীয় নয়, এমন যাবতীয় ব্যাবসা বন্ধ। মারাত্মক অতিমারী পরিস্থিতি মোকাবিলায় ও ওমিক্রন ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রুখতে গণ টেস্টিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এনিয়াংয়ে নতুন করে ৫৮টি স্থানীয় সংক্রমণ নথিভুক্ত হয়েছে বলে খবর সরকারি সম্প্রচারকারী সংস্থা সিসিটিভির। শনিবার থেকে শহরে মোট সংক্রমণ বেড়ে হয়েছে ৮৪। শহর থেকে বেরনোর ওপর কঠোর বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে, যাতে সুনিশ্চিত হয় যে, সংক্রমণ শহরের বাইরে না ছড়ায়। হেনানের অন্ততঃ  তিন শহরে সংক্রমণ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। প্রাদেশিক রাজধানী ঝেংঝাও পুরোপুরি লকডাউনের দিকে ধীরে ধীরে এগচ্ছে। সেখানকার বাসিন্দার সংখ্যা প্রায় ১৩ মিলিয়ন। স্কুল, কিন্ডারগার্টেন বন্ধ। গত সপ্তাহে ইউঝাওয়ে ঘরবন্দি থাকার আদেশ জারি করা হয়।

তিয়ানজিনেও সরকারি অনুমতি ছাড়া ঘর থেকে বেরনো নিষিদ্ধ। সেখানে ১৪ মিলিয়ন বাসিন্দার টেস্ট করার নির্দেশ এসেছে। বন্দর শহর থেকে রাজধানী বেজিংয়ের ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। তিয়ানজিনেও ১০টি নতুন সংক্রমণের খবর মিলেছে। চাইনিজ অ্যাকাডেমি অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তরফে ঝাং বোলি স্থানীয় টেলিভিশনকে জানান, চিনে প্রথম ওমিক্রনের হদিশ পাওয়া গিয়েছে তিয়ানজিনেই। উত্তরের জিয়ান শহরে তৃতীয় সপ্তাহ লকডাউন চলছে। সেখানে ২ হাজার সংক্রমণ নথিভুক্ত হয়েছে। দক্ষিণ চিনেও সংক্রমণ বাড়ছে হংকং, শেনঝেনের মতো জায়গায়।’

 

You might also like