Latest News

Metro : মেট্রোর জন্য ভোলবদল আসন্ন শিয়ালদহ স্টেশন ও চত্বরের

দ্য ওয়াল ব্যুরো : এখনও বহু কাজ বাকি। তাই শিয়ালদহ থেকে মেট্রো (Metro) চলাচল চালু হতে দেরি আছে। ভিতরের কাজের সিংহভাগ সম্পূর্ণ হলেও, মেট্রো (Metro) স্টেশনে ঢোকা বেরনোর পথের কাজ এখনও বাকি। শিয়ালদহ স্টেশনে ঢোকার জন্য দু’দিক থেকে  প্রবেশপথ করা হয়েছে। একটি শিয়ালদহ কোর্টের দিক থেকে। অন্যটি শিয়ালদহ দক্ষিণের দিকে। দক্ষিণে ১০ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে সরাসরি ঢুকে যাওয়া যাবে মেট্রো স্টেশনে।

Image - Metro : মেট্রোর জন্য ভোলবদল আসন্ন শিয়ালদহ স্টেশন ও চত্বরের

তবে উত্তর শাখার জন্য কোনও শর্টকাট নেই। তাঁদের অনেকটা হেঁটে মেট্রোর (Metro) মূল গেট দিয়েই ঢুকতে হবে। কারণ শিয়ালদহ স্টেশনের সাবওয়েটি মেট্রোর সঙ্গে জোড়ার কাজ এখনও বাকি। সাবওয়ের সঙ্গে মেট্রো স্টেশনের সংযুক্তিকরণের কাজে এখনও সময় লাগবে। ইঞ্জিনিয়াররা জানালেন, যেহেতু ওই সাবওয়ে আগে তৈরি হয়েছে, তাই মেট্রোর সঙ্গে জুড়তে সমস্যা হচ্ছে।

অন্যদিকে বৈঠকখানা বাজারকে বাঁপাশে রেখে বিদ্যাপতি সেতুর নীচ দিয়ে সোজা ঢোকার রাস্তা করার পরিকল্পনা রয়েছে মেট্রোর। কিন্তু ওইদিকে টানেলের কাজ এখনও বাকি, তাই ওই রাস্তা খুলতে অন্তত এক বছর লাগবে।

বুধবার সেখানে কর্তব্যরত ইঞ্জিনিয়াররা জানালেন, চালু করার জন্য ২০ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে। যা খুব তাড়াতাড়ি শেষ হবে। কিন্তু সামগ্রিক কাজ শেষ হতে এখনও ঢের দেরি। তবে ইতিমধ্যেই স্টেশন সাজিয়ে তোলার কাজ প্রায় শেষের দিকে। টিকিট কাউন্টারও তৈরি।

Image - Metro : মেট্রোর জন্য ভোলবদল আসন্ন শিয়ালদহ স্টেশন ও চত্বরের

মেট্রোকে কেন্দ্র করে শিয়ালদহ রেল স্টেশন চত্বরেরও ভোলবদল হবে। মেট্রো স্টেশনের সামনে ইংরেজি ইউ অক্ষরের মতো করে জায়গা ঘিরে দেওয়া হবে। পথচারী, গাড়ি ও পার্কিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকবে। আলাদাভাবে প্রিপেড ট্যাক্সি, হলুদ ট্যাক্সি ও অটো থাকবে। বাসস্টপে যাওয়ার জন্য আলাদা লেন তৈরি হবে। রাস্তাঘাট মেরামত করা হবে। দক্ষিণ শাখার যাত্রীরা মেট্রো স্টেশনেই আলাদা কাউন্টার থেকে ট্রেনের টিকিট পাবেন।

তবে মেট্রো স্টেশনের পিছনের অস্থায়ী স্টলগুলি নিয়ে সমস্যায় পড়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। কারণ তাঁদের বসার জায়গায় রদবদল করতে হতে পারে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার ব্যাপার। তাই রাজ্য সরকারকে রেলের তরফে আবেদন করা হতে পারে বলে জানা গেছে। হকারদের দু’-একজন জানালেন, মেট্রো চালু হলে তাঁদের ব্যবসা ভালো হবে। এই চত্বরেই রেল জায়গা দেখিয়ে দিলে তাঁরা সরে যাবেন।

আরও পড়ুন : Electric Bus: কলকাতায় আরও ইলেক্ট্রিক বাস, সামনের বছরের মধ্যে লক্ষ্য ১২০০

You might also like