Latest News

মিলল আরও এক দেহ, ময়নাগুড়ির দুর্ঘটনায় ভোর থেকেই ফের শুরু উদ্ধারকাজ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সারা রাত ঘুমোয়নি দোমহনি। বিধ্বস্ত রেলগাড়ির পাশে ঠায় রাত জেগেছেন স্থানীয়রা। উদ্ধারকারী, প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের ভিড়ে তাঁরাও ঝাঁপিয়ে পড়েছেন প্রাণ বাঁচানোর লক্ষ্যে। বস্তুত, উদ্ধারকারী দল এসে পৌঁছতে যতটা সময় লেগেছে, তার আগেই প্রাথমিক উদ্ধারকাজ শুরু করে দিয়েছিলেন তাঁরা।

রাতভর উদ্ধারকাজ চলার পরেও সকালের ছবিটা বদলায়নি। যেন নতুন উদ্যমে ফের ঝাঁপিয়ে পড়েছেন উদ্ধারকারীরা। একটি দেহ উদ্ধার হয়েছে। আরও কোথাও কেউ আটকা পড়ে নেই তো কোনও কামরার কোনও কোণে? এটাই আপাতত চিন্তা সকলের। ভোরের আলো ফুটতেই যেন জেগে ওঠে দোমহনির দুর্ঘটনাস্থল। আফশোস আর হাহাকারের যে চড়া স্বর চাপা পড়েছিল রাতের কুয়াশায়, সকালে তা ফের বেজে ওঠে। ছুটোছুটি করছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা। চিকিৎসক, নার্স, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, পুলিশ, রাজ্য সরকারের কর্তা, রেলের আধিকারিক, মন্ত্রী, প্রশাসনিক কর্তা– সকলেই পৌঁছেছেন উদ্বিগ্ন মুখে।

দুর্ঘটনাস্থলে আসেন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জন বার্লা। কিছুক্ষণে পৌঁছবেন রাজ্যের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।বৃহস্পতিবার বিকেলে দোমহনির কাছে লাইন থেকে উল্টে যায় ১৫৬৩৩ আপ বিকানের-গুয়াহাটি এক্সপ্রেস। দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটির গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার ছিল বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। ট্রেনটির ইঞ্জিনের পর থেকে ১২টি কামরা দুর্ঘটনার জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে ৭টি কামরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। কয়েকটি কামরা রীতিমতো দুমড়েমুচড়ে যায়। একটি কামরা জলেও পড়ে যায়।  স্থানীয়রা ঝাঁপিয়ে পড়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন।

লাইনচ্যুত হওয়ার সময় ওই ট্রেনে ১ হাজার ৫৩ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু। জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৪৫ জন। ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

You might also like