Latest News

WB Hospital: রোগী ফেরানো আর যাবে না, জেলার হাসপাতালগুলোকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জেলার হাসপাতালগুলোর (WB Hospital) ‘রেফার’ রোগ নতুন নয়। আর তার মাশুল গুনতে হয় রোগীর পরিবারকে। আকছার দেখা যায় জেলা থেকে এসে কলকাতার এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতাল রোগীকে নিয়ে ছুটে বেড়ান পরিবার-পরিজনেরা। বাড়তে থাকে অ্যাম্বুলেন্সের বিলও! চিকিৎসায় দেরি হওয়ায় রোগীর শরীরে জটিলতা বাড়ে, মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে যায় অনেকের। জেলার হাসপাতালগুলোর এই ‘রেফার’ রোগ তাড়াতেই কড়া ওষুধ দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর নির্দেশে জেলা হাসপাতালগুলোকে চিঠি দিয়ে স্বাস্থ্য দফতর সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অহেতুক রোগী রেফার করা যাবে না।

ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, গত এক দশকে রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো বেড়েছে। প্রতিটি জেলায় অন্তত একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে বা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। সিসিইউ এবং এইচডিইউ বেডও বেড়েছে। প্রাথমিক লক্ষ্য হল, মানুষ যাতে তাঁর বাড়ির কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা ও চিকিৎসা পায়। এতে চিকিৎসার আনুসঙ্গিক খরচ কমবে, তা ছাড়া রোগভোগ নিয়ে অনেক দূর যেতে হলে যে জটিলতা তৈরি হয়, তা হবে না।

কিন্তু দেখা যাচ্ছে এর পর রেফার রোগী কমছে না। বা লামা (Leave against Medical Advice) পেশেন্টের সংখ্যাও কমছে না। ঠিক হয়েছিল, বড় হাসপাতালগুলিতে ৭ শতাংশের বেশি রোগীকে রেফার করা যাবে না, লামা কেস থাকতে হবে ৩ শতাংশের কম। অথচ দেখা যাচ্ছে, ৩৯ টি হাসপাতাল ৭ শতাংশের বেশি রোগীকে রেফার করেছে। এর মধ্যে ২০ টি হাসপাতাল ১০ শতাংশের বেশি রোগীকে রেফার করেছে। ৫০ টি হাসপাতালে ৩ শতাংশের বেশি পেশেন্টকে মেডিকেল অ্যাডভাইজ দিয়ে ছাড়া হয়েছে। ১৯ টি হাসপাতালে লামা কেস ১৯ শতাংশ।

রাজ্যের ৯০টি হাসপাতালকে সতর্ক করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। চিঠি লিখে বলা হয়েছে, হাসপাতালে গেলে রোগীকে ভর্তি নিতে হবে, ইচ্ছেমত রেফার করা যাবে না। পেশেন্ট লিভিং এগেইনস্ট মেডিক্যাল এডভাইস (LAMA) ও রেফারেলের ভূত তাড়াতেই এই কড়া নির্দেশ।

পার্থর বাড়িতে কুণাল, দেখাই করলেন না মহাসচিব, এসএসসি নিয়ে দলে জলঘোলা

You might also like