Latest News

‘এটাও একটা চালাকি!’ পঞ্চায়েতমন্ত্রীকে গিরিরাজের ফোন নিয়ে বললেন মমতা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১০০ দিনের কাজের (REGA) বকেয়া টাকা পাওয়ার জন্য অনেকদিন ধরেই দিল্লিতে তদ্বির করছে নবান্ন। কখনও মুখ্যমন্ত্রী সংসদীয় দলকে পাঠিয়েছেন, কখনও আবার রাজ্যের নতুন পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারকে ‘স্পেশাল অ্যাসাইনমেন্ট’ দিয়েছেন এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের (Giriraj Singh) সঙ্গে দেখা করার। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যখন দিল্লিতে তখন জানা যায় গিরিরাজ নাকি বাংলার পঞ্চায়েতমন্ত্রীকে ফোন করে বলেছেন, বকেয়া টাকা শিগগির দিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু গিরিরাজের এই ফোনকে সরাসরি ‘চালাকি’ বলে কটাক্ষ করলেন মমতা।

এদিন তৃণমূলের সংসদীয় দলের সঙ্গে আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে দলের অবস্থান নিয়ে আলোচনা করেন দিদি। তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। গিরিরাজের ফোনের বিষয়ে মমতাকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘এটাও একধরনের চালাকি!’

কেন?

তারও ব্যাখ্যা দেন মমতা। তাঁর কথায়, ‘বছরের শেষে টাকা দিয়ে লাভটা কী? অর্থবছর শেষ হয়ে যাবে, তার মধ্যে টাকা খরচ করা যাবে না। তখন তাঁরা (পড়ুন কেন্দ্র) বলবেন, আমরা দিলাম, ওরা কাজ করল না।’

কাঁদো কাঁদো মানিকের আর্তি, ‘আমায় মেরে ফেলো, বউ-ছেলেকে জড়িও না’

মমতা এও বলেন, টেন্ডার করতে, ডিপিআর করতে তো সময় লাগে। তাই ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে টাকা দিয়ে তা কী ভাবে মার্চের মধ্যে খরচ করা সম্ভব? সেইসঙ্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এও দাবি করেন, সময়ের টাকা সময়ে দিতে হবে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, টাকা দেওয়ার আশ্বাসকে কৌশল হিসেবেই দেখছেন মমতা। এমন সময়ে বকেয়া টাকা দেওয়া হবে বলে বলা হচ্ছে যখন সেই টাকা খরচ করার সময় নেই। অনেকের ধারণা, তা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররাও বাংলায় বাজার গরম করতে পারেন। তাঁরা বলতে পারেন, মোদীর সরকার টাকা দেয় আর দিদির সরকার খরচ করতে পারে না।

গত কয়েক মাস ধরে ১০০ দিনের কাজের হিসাব সংক্রান্ত বিষয়ে নবান্নের সঙ্গে দিল্লির চিঠিচাপাটি পর্ব বেশ কিছুদিন ধরে চলছে। একবার নবান্ন হিসেব দেয়, পরেই আবার দিল্লির তরফে চিঠি আসে, পঞ্চায়েতের চোর ধরতে হবে। আর বাংলায় বিজেপি নেতারা খোলাখুলিই বলে দিচ্ছেন, কাজের যখন হিসেব দিতে পারছে না, দুর্নীতি হচ্ছে, তখন দিল্লি যেন আর টাকা না পাঠায়।

এখন দেখার ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা কবে পায় নবান্ন। সেই টাকা খরচের ক্ষেত্রেই বা কী পদক্ষেপ করে রাজ্য সরকার।

You might also like