Latest News

কাকলি তুমি কাঁচা বেগুন খেয়ে নিলে! বিস্মিত মমতাও, শতাব্দীর শাড়ির প্রশংসা দিদির

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সংসদে (Parliament) বিতর্কে অংশ নিয়ে সম্প্রতি কাঁচা বেগুনে (Brinjal) কামড় দিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ (TMC MP) কাকলি ঘোষদস্তিদার (Kakali GhoshDastidar)। মূল্যবৃদ্ধি (Price Hike) পরিস্থিতি ও পেট্রোপণ্যের দাম বাড়ায় মানুষের কী নাজেহাল অবস্থা, তা বোঝাতে এমনটা করেছিলেন বারাসতের সাংসদ।

বৃহস্পতিবার চার দিনের জন্য দিল্লি (Delhi) সফরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এদিন তৃণমূলের (TMC) সংসদীয় দলের বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের বাড়িতে। সেখানে পৌঁছে কাকলিকে দেখেই দিদি হেসে ফেলেন! বলেন, ‘কাকলি তা বলে তুমি কাঁচা বেগুন খেয়ে নিলে!’ শুনে কাকলি বলেন, ‘হ্যাঁ দিদি! ওটা ব্যাগে করে নিয়ে গেছিলাম!’

Image - কাকলি তুমি কাঁচা বেগুন খেয়ে নিলে! বিস্মিত মমতাও, শতাব্দীর শাড়ির প্রশংসা দিদির


কাঁচা বেগুন নিয়ে এর পর অবশ্য আর কথা এগোয়নি। তবে জানা গিয়েছে, শতাব্দী রায়ের শাড়ির প্রশংসা করেছেন মমতা।

তৃণমূলের সংসদীয় দলের বৈঠক নিয়ে যাঁদের ধারণা নেই, তাঁরা ভাবতে পারেন এ আবার বৈঠক নাকি! এতো স্রেফ আড্ডা আর খোশ গল্প! তবে ব্যাপারটা তা নয়। সেই বাজপেয়ী জমানা থেকে তৃণমূলের সংসদীয় দলের বৈঠকের ধারা শুরু হয়েছে। সে সময়ে দলের ৯ জন সাংসদ ছিলেন। সংসদ ভবনের তিনতলায় ছিল তৃণমূলের সংসদীয় পার্টি অফিস। তার অর্ধেক অংশ প্লাইউডের পার্টিশন করা। সেই পার্টিশনের ওপারে ৮ জন সাংসদকে নিয়ে মাঝে মধ্যেই বৈঠক করতেন দিদি। মোদ্দা তাঁর যা বলার বা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-রঞ্জিত পাঁজাদের থেকে শোনার, তা শুনে নিতেন। বাকি সময়ে আড্ডা, মজা, খোশ গল্প হত। আর পার্টিশনের এপারে সাংবাদিকরা ওঁৎ পেতে থাকতেন সে সব শোনার জন্য।

তবে এদিন সংসদীয় দলের বৈঠক নিয়ে আড়ম্বর একটু বেশি ছিল। তার কারণ হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘ কোভিড পর্বের পর এই প্রথম সংসদের অধিবেশন চলাকালীন দিল্লিতে গিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। তাই মহাদেব রোডে তাঁর সরকারি বাসভবনে রীতিমতো ম্যারাপ খাটিয়ে ব্যবস্থা করেছিলেন সুখেন্দু শেখর রায়। নীল-সাদা প্যান্ডেল আর মেঝেতে পাতা ছিল সবুজ কার্পেট।

দলীয় সাংসদদের সঙ্গে আজ বেশিক্ষণ সময় কাটাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আধ ঘণ্টার মতো ছিলেন। তারপর সাংসদদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূল সূত্রে জানা যাচ্ছে, কাল বা পরশু হয়তো সংসদে নাও যেতে পারেন দিদি। শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। তার পর সন্ধেয় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি। পরদিন শনিবার উপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সেদিন ভোট গ্রহণ সংসদ ভবনেই হবে। তৃণমূল যেহেতু এই নির্বাচনে ভোটাভুটি থেকে বিরত থাকছে, তাই হয়তো সেদিনও সংসদ ভবনে নাও যেতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

‘অভিষেক পরিণত নেতার মতো আচরণ করছে’: ধারণা বদলে গেল কল্যাণের!

You might also like