Latest News

এসএসকেএমে ভাঙচুর: রাতে সিনিয়র ডাক্তার থাকতে হবে, নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রোগী মৃত্যুর পর ডেথ সার্টিফিকেট লেখাকে কেন্দ্র করে রবিবার রাতে বচসায় উত্তাল হয় এসএসকেএম হাসপাতাল (SSKM Hospital)। হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে ভাঙচুর চালিয়ে মৃতদেহ নিয়ে চলে যান মৃতের পরিবারের লোকজন। সোমবার এ ঘটনা নিয়ে প্রবল অসন্তোষ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, আমি গোটা ঘটনাটা শুনেছি। জুনিয়র ডাক্তারদের হেনস্তা করা হয়েছে। এ ভাবে হাসপাতালে ঢুকে পড়ে ভাঙচুর করা, জুনিয়র ডাক্তারদের মারধর করা বরদাস্ত করা হবে না। ওখানে একটা পুলিশ আউটপোস্ট থাকার কথা। তারা কী করছিল সেই কৈফিয়তও চেয়েছি। এত টাকা খরচ করে একটা ট্রমা সেন্টার বানানো হয়েছে। সেটায় ভাঙচুর করেছে। এই ঘটনায় পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রবিবার মাঝ রাতে এসএসকেএম হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় মহম্মদ ইরফান নামের এক যুবককে নিয়ে আসা হয়েছিল। ইরফান হুগলির চুঁচুড়ার বাসিন্দা। এসএসকেএমের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে ইরফানকে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এর পরই মৃত্যুর কারণ তথা ডেথ সার্টিফিকেট লেখা গিয়ে গোলমাল শুরু হয়।

ডেথ সার্টিফিকেট লেখার সময়ে ট্রমা কেয়ারের ডাক্তারদের সঙ্গে তর্ক শুরু করে দেন মৃতের আত্মীয়রা। ৪ জন জুনিয়র ডাক্তারকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তারই পাশাপাশি ট্রমা কেয়ারের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়। ভাঙচুর করা হয় এক্স-রে মেশিনও।

খবর পেয়ে ভবানীপুর থানার পুলিশ সেখানে যায়। তাঁরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু এভাবে হামলার ঘটনায় জুনিয়র ডাক্তারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন দিল্লি যাওয়ার সময়ে বলেন, যে সময়ে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তখন কোনও সিনিয়র ডাক্তার ছিলেন না। দু’জন জুনিয়র ডাক্তার ছিলেন। তাদের মারধর করা ঠিক হয়নি। তবে আমি বলেছি যে সরকারি হাসপাতালে রাতে একজন হলেও সিনিয়র ডাক্তার থাকতে হবে। এ ব্যাপারে আমি নির্দেশ দিয়েই এসেছি।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এবার পৃথক বৈঠক হবে না, দিল্লি যাওয়ার সময়ে জানালেন মমতা

You might also like