Latest News

এবার বৈদ্যবাটি! কোভিড রোগীদের কাছে যাচ্ছে দিদির বার্তা-সহ ফলের ঝুড়ি

দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: তৃতীয় ঢেউয়ে কোভিড সংক্রমণ মারাত্মক আকার নিয়েছে। প্রায় প্রতি ঘরে পজিটিভ। কয়েকদিন ধরেই কলকাতায় দেখা যাচ্ছে কোভিড আক্রান্তদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে প্যাকেট। তাতে থাকছে ফল আর আরোগ্য কামনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা। এবার সেই ফল পাঠানোও যেন সংক্রমণের আকার নিল। দিদির বার্তা-সহ ফলের ঝুড়ি পৌঁছে যাচ্ছে হুগলির বৈদ্যবাটি পৌর এলাকায়।

এদিন ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কোভিড আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি দিদির বার্তা-সহ ফলের ঝুড়ি পৌঁছে দিলেন তৃণমূল কর্মীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, বিদায়ী পৌর পিতা সুবীর ঘোষ (ভাই)-এর নির্দেশেই এই বার্তা তাঁরা পৌঁছে দিচ্ছেন কোভিড আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি।

কী লেখা রয়েছে সেই বার্তায়?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি-সহ সেই বার্তায় লেখা রয়েছে, ভয় পাবেন না। সরকার পাশে রয়েছে। মাস্ক পরা, হাত ধোয়ার মতো উপদেশ লেখা রয়েছে তাতে।

তবে শুধু ১০ নম্বর ওয়ার্ডেই এই ছবি দেখা গিয়েছে। বৈদ্যবাটি পুরসভার মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ২৩টি। বাম-কংগ্রেসের দখলে থাকা ওয়ার্ড বাদ দিলেও বাকি যে তৃণমূলের ওয়ার্ড রয়েছে সেখানে এই ছবি দেখা যায়নি। এ নিয়ে স্থানীয় তৃণমূলের মধ্যেও আলোচনা রয়েছে।

তৃণমূলের একাংশের বক্তব্য, পুরভোটের আগে এই ফলের ঝুড়ি পাঠানো আসলে এক ধরনের বিনিয়োগ। কেন? তাঁদের বক্তব্য, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। তিনি এবার চাইছেন চেয়ারম্যান হতে। বৈদ্যাবাটির বিদায়ী চেয়ারম্যান অরিন্দম গুঁইন। তিনি এখন চাঁপদানির বিধায়কও বটে। ফলে ভাই ঘোষের অনুগামীরা চাইছেন বিধায়কের আর চেয়ারম্যান পদে থাকার দরকার নেই।

আবার এবারের ভোটে আর এক প্রাক্তন চেয়ারম্যান অজয় প্রতাপ সিংও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হতে পারেন বলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে। অজয় আবার ভাই ঘোষদের বিরুদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবেই পরিচিত। অজয় শিবিরও চাইছে তাঁকে ফের চেয়ারম্যানের আসনে বসাতে। অনেকের মতে, এই ফলের ঝুড়ির পিছনে যা না মানবিকতা আছে তার চেয়ে বেশি রয়েছে রাজনৈতিক সমীকরণ। ভোটের আগে ধারণা নির্মাণের কৌশল।

You might also like