Latest News

মমতা মনোনয়ন জমা দিলেন, জমায়েত ছাড়াই আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে দিদি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভবানীপুর উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন (Nomination) জমা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। চেতলার কর্মীসভা থেকেই মমতা বলেছিলেন, কোভিড বিধির কারণে মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন জমায়েত হোক তা তিনি চান না। এদিন জমায়েত ছাড়াই দুপুর দুটো নাগাদ আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে যান দিদি। মনোনয়ন পত্র জমা করে মিনিট কুড়ির মধ্যেই বেরিয়ে আসেন তৃণমূলনেত্রী।

চাঁদপুরে ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্প থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মার, পুলিশি জুলুমে মৃত্যু বিজেপি কর্মীর

একুশের ভোটে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হন মমতা। যদিও তা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা চলছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী থাকতে গেলে তাঁকে ছ’মাসের মধ্যে কোনও না কোনও আসন থেকে জিততেই হবে। তাই ভবানীপুরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি।

গত বিধানসভায় ভবানীপুরে প্রার্থী হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। মমতাকে আসন ছাড়ার জন্য ভবানীপুরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন শোভনদেব। কৃষিমন্ত্রী পদে থাকতে তাঁকেও ছ’মাসের ভোটে জিততে হবে। তবে তাঁর মেয়াদ ফুরোবে নভেম্বরে। শোভনদেববাবু খড়দহ উপনির্বাচনে লড়বেন।

২০১১ সালে প্রথমবার যখন মুখ্যমন্ত্রী হন মমতা তখনও তিনি বিধায়ক ছিলেন না। ছ’মাসের মধ্যে ভবানীপুর থেকে জিতে এসেছিলেন তিনি। ষোলোর ভোটেও এই কেন্দ্রেই লড়াই করেন। কিন্তু এবার নন্দীগ্রামকে লড়াইয়ের কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা-শুভেন্দু লড়াইয়ে নন্দীগ্রাম হয়ে উঠেছিল বাংলার ভোটের এপিসেন্টার।

মমতার বিরুদ্ধে ভবানীপুরে প্রার্থী দেয়নি কংগ্রেস। সিপিএমের হয়ে এই কেন্দ্রে লড়াই করছেন তরুণ আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাস। শুক্রবার সকালেই বিজেপি তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। হাইকোর্টের আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালকে টিকিট দিয়েছে গেরুয়া শিবির। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভোট হবে ভবানীপুরে। ৩ অক্টোবর ফল ঘোষণা।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like