Latest News

মহারাষ্ট্রে জাইকা ভাইরাসে আক্রান্তের খোঁজ মিলল

দ্য ওয়াল ব্যুরো : মহারাষ্ট্রে এই প্রথমবার জাইকা ভাইরাসে আক্রান্তের খোঁজ মিলল। পুনের পুরন্দর অঞ্চলে ৫০ বছর বয়সী এক মহিলা চিকুনগুনিয়া টেস্টে পজিটিভ হয়েছেন। মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্য দফতর থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, রোগিণী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাঁর পরিবারের আর কেউ চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হননি।

স্বাস্থ্য দফতরের বিবৃতিতে জানানো হয়, জুলাইয়ের শুরু থেকেই পুরন্দর তহসিলের বেলসর গ্রামে অনেকে জ্বরে আক্রান্ত হন। পাঁচজনের নমুনা পরীক্ষার জন্য পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি (এনআইভি)-তে পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে তিনজন চিকুনগুনিয়া পজিটিভ হয়েছেন। এরপরে এনআইভি-র একটি টিম ২৭ থেকে ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে বেলসর ও পারিনচে গ্রাম পরিদর্শন করে। ৪১ জনের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে দেখা যায়, তাঁদের মধ্যে ২৫ জন চিকুনগুনিয়া টেস্টে পজিটিভ হয়েছেন। তিনজনের ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। একজনের শরীরে ধরা পড়েছে জাইকা ভাইরাস।

মহারাষ্ট্রের কুইক রেসপন্স টিম শনিবার ওই দু’টি গ্রাম পরিদর্শন করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বুঝিয়ে বলে, এই পরিস্থিতিতে কী সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। এরপরে স্বাস্থ্য দফতর থেকে দু’টি গ্রামে সমীক্ষা করবে। পুনে জেলা প্রশাসন থেকে মানুষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, আতঙ্কিত হবেন না। জাইকা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করার জন্য সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে।

মহারাষ্ট্রের আগে কেরলে জাইকা ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। সেখানে ৬৩ জন ওই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ইডিস মশার মাধ্যমে ওই ভাইরাস ছড়ায়। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো রোগও ছড়ায় ইডিস মশার মাধ্যমে।

ইতিমধ্যে কোভিড সংক্রমণ নিয়েও উদ্বিগ্ন হচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, ভারতের ১০ টি রাজ্যে বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওই ১০ টি রাজ্যের যে জেলাগুলিতে পজিটিভিটির হার ১০ শতাংশের বেশি, সেখানে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা উচিত। সেইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিকে বলা হয়েছে, তারা যেন ৪৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী ও ষাটোর্ধ্বদের দ্রুত টিকাকরণের উদ্যোগ নেয়। কারণ এই বয়সের মানুষের মধ্যেই কোভিডে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যে রাজ্যগুলিতে সম্প্রতি কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে, তার মধ্যে আছে কেরল, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, অসম, মিজোরাম, মেঘালয়, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং মণিপুর। ওই রাজ্যগুলির ৪৬ টি জেলায় পজিটিভিটির হার ১০ শতাংশের বেশি। আরও ৫৩ টি জেলায় পজিটিভিটির হার পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সরকার বলেছে, কোভিড বিধি পালনে সামান্য শিথিলতা দেখালেই ওই জেলাগুলির অবস্থা আরও খারাপ হবে।

You might also like