Latest News

Lalbazar: মুড়ি-চপ-চা সহযোগে আড্ডা জমছে লালবাজারে, নেতৃত্বে স্বয়ং পুলিশ কমিশনার! ব্যাপারটা কী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আড্ডা আর বাঙালি যেন সমার্থক। পাড়ায়, স্কুলে, কলেজে তো বটেই, যে কোনও পেশাতেই এ কথা সত্য। কাজের চাপ যতই থাকুক, সময় বার করে গল্পগাছা, খাওয়াদাওয়া এমনকি পরনিন্দা-পরচর্চার সময়ও ঠিকই বার করে নেয় সকলে। কিন্তু তাই বলে লালবাজারেও (Lalbazar)! পুলিশও আড্ডা মারে!

হ্যাঁ, এমনটাই ‘নিয়ম’ করেছেন নতুন পুলিশ কমিশনার বিনীতকুমার গোয়েল। রোজ সন্ধ্যায় ছ’টার সময় লালবাজারে তিরিশ মিনিটের রিসেস মিলছে তাঁরই নেতৃত্বে। সেই সময়েই জমে উঠছে আড্ডা। রীতিমতো মুড়ি, তেলেভাজা, চানাচুর, সিঙাড়া, চা-সহযোগে। ছুটির দিন বা শহরে বড় কোনও মিছিল-মিটিং থাকলে অবশ্য এই সুযোগ মেলে না। তবে তা না থাকলে সন্ধেবেলায় এমনই আড্ডা ডমে লালবাজারের মেন বিল্ডিংয়ের এক নম্বর কনফারেন্স রুমে।

তবে এ আড্ডা নিয়েও রয়েছে কড়াকড়ি। কারণ পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের নির্দেশে এখানে হাজির থাকতেই হয় যুগ্ম কমিশনার থেকে স্পেশাল কমিশনার সবাইকেই। কী এমন হয় সেই আড্ডায়! এই নিয়ে কৌতূহলও বিস্তর। সূত্রের খবর, আড্ডা আসলে ছুতো, আসলে হাল্কা মেজাজে সমস্ত অফিসারদের কাজের ফিরিস্তি নেন তিনি। এমনকী অপরাধের কিনারা করা থেকে অপরাধ মোকাবিলায় কৌশল ছকে নেওয়ার কাজও সেরে নেন ওই সময়ে। শুধু তাই নয়, শোনেন অফিসারদের অভাব-অভিযোগও।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাজের মাঝে আড্ডা মারাকে নেতিবাচক ভাবে দেখার কোনও কারণ নেই। এই রুটিন আড্ডা আসলে কাজের উৎপাদনশীলতাকেই বাড়ায়। অফিসিয়াল চাপ, পেশাদারি বৈঠকের মাঝে এই ধরনের খোলামনে সময় কাটালে ক্লান্তি কাটে সহজে। দূর হয় উদ্বেগ। কাজেও বেশি মন বসে এর ফলে। সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভাল হয়। ফলে সব মিলিয়ে এই সবটাই ইতিবাচক একটা প্রভাব ফেলে কাজে।

লালবাজারের (Lalbazar) উঁচুমহলের খবর, বিনীত গোয়েল কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরে অনেক কিছুই বদলে গেছে পুলিশের অন্দরে। খড়্গপুর আইআইটির প্রাক্তনী বিনীত গোয়েল। তিনি চাকরির মাঝে স্টাডি লিভ নিয়ে বিদেশের এক নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও করে এসেছেন। ফলে তিনি যে ম্যানেজমেন্ট নিয়ে আর পাঁচজনের চেয়ে বেশি ধারণা রাখবেন, অনেক কৌশল জানবেন, তা তো স্বাভাবিক।

চরম ডিপ্রেশন, ত্রিকোণ প্রেম, বিদিশার মৃত্যুতে উঠে আসছে অনেক তথ্য

You might also like