Latest News

Kolkata: লালবাজারের নাকের ডগায় প্রতারণা চক্র! ৯ বছর ধরে রমরমিয়ে চলছিল লোক ঠকানোর ব্যবসা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক নয়, দুই নয়, পাক্কা ৯ বছর ধরে রমরমিয়ে চলছিল প্রতারণাচক্র। একেবারে লালবাজারের নাকের ডগায়। তবু পুলিশ টের পায়নি। অবশেষে সিআইডি-র তৎপরতায় ফাঁস হল সেই কলকাতার (Kolkata) বুকে গজিয়ে ওঠা সেই প্রতারণাচক্রের পর্দা। গ্রেফতার করা হল ২০ জনকে।

অভিযোগ, লালবাজারের কাছেই (Kolkata) ঝাঁ চকচকে অফিস খুলে প্রতারণার কারবার চালানো হচ্ছিল দীর্ঘ ৯ বছর ধরে। কয়েকশো কর্মী কাজও করত সেই অফিসে। পুলিশ জানিয়েছে এক প্রাক্তন কনস্টেবলের ছেলেই এই প্রতারণার মূলে। ওই অফিসে তল্লাশি চালিয়ে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে নগদ ৩০ লক্ষ টাকা, ১৫০টি মোবাইল ফোন এবং একটি গাড়ি।

আরও পড়ুন: রহড়ায় সাতসকালে হঠাৎ বোমা বিস্ফোরণ! মৃত্যু ১৭ বছরের কিশোরের

সূত্রের খবর, পুরুলিয়ার একটি প্রতারণার অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়েই কলকাতার (Kolkata) বুকে গজিয়ে ওঠা এত বড় চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছে। কিছুকাল আগে পুরুলিয়ার কেন্দা থানায় যে অভিযোগ জমা পড়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল বন্ধ হয়ে যাওয়া বিমা পুনরায় চালু করে দেওয়া হবে এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে লাখ টাকা! এতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। শুধু এটাই নয়, এমন আরও একাধিক অভিযোগ আসতে শুরু করে। সিআইডি তদন্তের ভার নেয়।

তদন্ত সূত্রে পুলিশ জানতে পারে ওই প্রতারণা চক্র যারা চালাচ্ছে তাদের তিন-তিনটি অফিস রয়েছে খাস কলকাতায়। লালবাজার ছাড়াও বউবাজার এবং পার্কস্ট্রিটে অফিস রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সেই অফিসে হানা দেয় সিআইডি। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় এই চক্রের মূল পাণ্ডা প্রাক্তন কনস্টেবলের ছেলে সন্দীপ বিশ্বাস। বিমা কোম্পানির সঙ্গে লোকজনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সে এভাবে লোক ঠকানোর ব্যবসা করে আসছে এতদিন ধরে। তার বিরুদ্ধে ২৫০ জনকে ঠকানোর অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে বিমা কোম্পানির নাম করে গ্রাহকদের ফোন করা হত। তাদের বুঝিয়ে সুঝিয়ে টোপ দেওয়া হত। টোপ গিললেই কাজ হাসিল। নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ফেলতেন গ্রাহকরা, সেখান থেকে টাকা তুলে নেওয়া হত। এভাবেই ফুলেফেঁপে উঠছিল এদের কাজ। অবশেষে প্রতারণা চক্রের পর্দাফাঁস হল।

You might also like