Latest News

Kolkata Airport: বিমানবন্দরের বাইরে দৌরাত্ম্য দালালদের! ভাড়া হাঁকাচ্ছে ৫-৬ গুণ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিমানবন্দরের বাইরে পা দিলেই যাত্রীদের ভয়ের কারণ হয়ে উঠছে দালাল চক্র। কলকাতা বিমান বন্দরের (Kolkata Airport) বাইরে রীতিমতো সক্রিয় এই চক্র। টালা থেকে টালিগঞ্জ, বালি থেকে বালিগঞ্জ আপনি যেখানেই যেতে চান না কেন গুনতে হচ্ছে মাত্রারিক্ত ভাড়া। প্রাইভেট ট্যাক্সির দালালদের (Touts) উপদ্রবে নাজেহাল অবস্থা যাত্রীদের।

সবচেয়ে বিপদে পড়ছেন যাঁরা শহরে নতুন আসছেন। যাঁরা তাঁদের গন্তব্য সম্পর্কে তেমন ধারণা নেই তাঁরাই বেশি করে এই দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ছেন। কারণ আপনি তো জানেনই না আপনার গন্তব্যের জন্য কত ভাড়া হতে পারে। সেই সুযোগ নিয়েই ইচ্ছে মত ভাড়া হাঁকাচ্ছেন ট্যাক্সি চালক থেকে দালালরা।

যদিও বিমানবন্দরের (Kolkata Airport) বাইরে বিধাননগর কমিশনারেট পরিচালিত তিনটি প্রিপেইড ট্যাক্সি বুকিং কাউন্টার রয়েছে, কিন্তু তার মধ্যে শুধুমাত্র একটি কাউন্টারের বাইরেই জ্বলজ্বল করে ভাড়ার বোর্ড। অনেকে তা খেয়াল করার আগেই দালালদের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন।

সায়ক নদীতে পড়ল সেনাবাহিনীর গাড়ি, মৃত অন্তত ৭ জওয়ান

এবার দেখা যাক, দালালদের ভাড়ার নমুনা। বিমানবন্দর থেকে নিউটাউন যাওয়ার জন্য দালালরা দাবি করেন প্রায় ৮০০ টাকা! যা প্রকৃত ভাড়ার প্রায় পাঁচ গুণ। মাত্র সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার পথ যেতে যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে এত টাকা।

আবার মধ্য কলকাতার দিকে আসতে হলে তো আর কথাই নেই। প্রায় হাজার টাকা চেয়ে বসেন দালালরা। আর সল্টলেক যেতে হলে কমপক্ষে পাঁচশো তো দিতেই হবে আপনাকে। মাত্র ১০-১২ কিলোমিটার পথ যেতেই এত বেশি টাকা ধার্য করছে দালালরা যা নতুন যাত্রীদের কাছে বিভীষিকা হয়ে উঠছে।

এছাড়াও বিমানবন্দরের বাইরে ‘হেল্প লাইন’ নামক একটি পরিষেবা আছে। উল্লেখিত নম্বরে ফোন ঘোরালেই। আপনার কাছে চলে আসবে ট্যাক্সি। তবে এই ট্যাক্সি অন্যান্য প্রিপেইড ট্যাক্সির ভাড়ার থেকে বেশ অনেকটাই বেশি।

বহু যাত্রীই নিরুপায় হয়ে এই পরিষেবা থেকে ট্যাক্সি নিতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকের অভিযোগ, প্রিপেইড ট্যাক্সি কাউন্টারে গিয়ে সবসময় ট্যাক্সি পাওয়া যায় না। অগত্যা হয়েই হয় ‘হেল্প লাইন’ পরিষেবা, নয়তো দালালদের খপ্পরে পড়ছেন যাত্রীরা।

কিন্তু এই ‘হেল্প লাইন’ পরিষেবায় এত বেশি কেন গুনতে হয়? বিমানবন্দরে এই পরিষেবার কাউন্টারে বসে থাকা এক কর্মীর কথায়, ‘আমাদের সমস্ত গাড়িকেই সুন্দরভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। পাশাপাশি ভাল প্রশিক্ষিত চালক থাকেন।’

বিমানবন্দরের টার্মিনালের বাহির পথের সামনেই অপেক্ষা করেন দালাল ও ট্যাক্সি চালকরা। যাত্রীরা বিমানবন্দর থেকে বেরোলেই অনুসরণ করেন তাঁদের। নানাভাবে যাত্রীদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যাতে তাঁদের প্রস্তাবিত ভাড়াতেই সওয়ার করে। দিনের বেলা এমন কাণ্ড ঘটে, আর রাত বাড়লেও তো পোয়া বারো। চড়চড় করে বাড়তে থাকে ভাড়ার মিটার!

সেক্স করতে গিয়ে স্মৃতি গায়েব? শর্ট টাইম মেমরি লসে ভোগেন অনেকে

You might also like