Latest News

ভোটের স্লোগান ‘খেলা হবে’ পালিত হবে রাজ্যে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘খেলা হবে,’ ছিল ভোট তৃণমূলের স্লোগান। সেটাই এবার একটি সরকারি কর্মসূচির নাম হতে যাচ্ছে। খেলা হবে দিবস পালন করবে রাজ্য সরকার, মঙ্গলবার বিধানসভায় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রথমে স্লোগানটা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের আওয়ামি লিগের এক সাংসদ। তাও বছর চারেক আগে। কিন্তু পদ্মাপাড়ের সেই স্লোগান যে গঙ্গাপাড়ে এমন সশব্দে আছড়ে পড়বে তা কে জানত! শুধু কী গঙ্গা! কেলেঘাই, অজয়, দামোদর, তিস্তা, মাতলা—ভোটের বাংলায় সব কোণে ছড়িয়ে পড়েছিল সেই স্লোগান, ‘খেলা হবে।’

মঙ্গলবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, এবার রাজ্য সরকার খেলা হবে দিবস পালন করবে। গ্রামে গ্রামে পালিত হবে এই দিবস। কবে হবে তা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের স্লোগান ছিল খেলা হবে।
তাই খেলা হবে দিবস পালন হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলের তরুণ মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য খেলা হবের ব্র্যান্ডিংকে অন্য পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর লেখা কবিতা ডিজে রিমিক্স হয়ে বেজেছিল জেবিএল সাউন্ড সিস্টেমে। তাতে ছিল চোখা চোখা সব বাক্য। যেমন, ‘তৃণমূলের ভাঙিয়ে নেতা, নয়কো সহজ ভোটে জেতা, দিদির ছবি সরবে যবে, বন্ধু সেদিন খেলা হবে।’ নন্দীগ্রামে দিদির পায়ে আঘাত লাগার পর দেওয়ালে ছবি এঁকে তৃণমূল লিখেছিল, ‘ভাঙা পায়েই খেলা হবে।’

একথা ঠিক যে মমতাকেও টেনেছিল এই স্লোগান। প্রতিটি জনসভায় গিয়ে বলতেন, ‘কী মা-বোনেরা আমার, খেলা হবে তো? ছাত্র-যৌবন কী বলছে? খেলা হবে তো?’ দ্বিতীয় পর্বের ভোটের পর যত জনসভা দিদি করেছিলেন সবের মঞ্চে একটা করে বল থাকত। বক্তৃতা শেষে দিদি মঞ্চ থেকে সেই বল ছুড়তেন আর এক জন তৃণমূলকর্মীকে লুফতে হতো। ফস্কে গেলে জুটত বকুনি। লুফলে দিদি বলতেন, ‘খেলাও হল, জেতাও হল।’

ভোট বাজারে অনেকের গায়েই দেখা গিয়েছে খেলা হবে টি-শার্ট। ইদানীং তো বাজারে খেলা হবে চিপসও বেরিয়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয়। উত্তরপ্রদেশে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদে এ পার্টিও দেওয়ালে লেখা শুরু করে দিয়েছে, ‘খেলা হুই!’ এবার সেই ভাইরাল স্লোগানকে দিবস হিসেবে পালন করতে চলেছে রাজ্য সরকার। তবে সেখানে কী হবে তা স্পষ্ট নয়।

You might also like